নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শেষ হল সিপিএমের তিনদিনের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক। ২৪তম পার্টি কংগ্রেসের আগে এবছর কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক বসেছিল নিউটাউনের একটি ব্যাঙ্কোয়েট হলে। সূত্রের খবর, এই বৈঠক থেকে পার্টিকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন পলিটব্যুরো সমন্বয়ক প্রকাশ কারাত। তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ, পার্টির অন্দরে বৈঠক চলবেই। কিন্তু সমান্তরালে রাস্তাতেও লড়াই-সংগ্রামে থাকতে হবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ইয়েচুরি জমানা এবার শেষের পথে। কেরল লাইনেই হাঁটতে চলেছে সিপিএম।
Advertisement
সূত্রের খবর, অন্য দলের সঙ্গে জোট, আসন সমঝোতা নিয়ে পরে ভাবা যাবে। কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক থেকে বলা হয়েছে, আরএসএসের উত্থান হচ্ছে। সেই আরএসএসকে আটকাতে সবার আগে পার্টিকে শক্তিশালী করতে হবে। রাজ্যের এক নেতার কথায়, এই নির্দেশই সঠিক। আমরা কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়ে আলোচনা করতেই বহু সময় ব্যয় করে দিয়েছি। পার্টিকে শক্তিশালী করার কথা ভাবিনি।
প্রশ্ন উঠছে, কেরল লাইনে পার্টি চললে, ইন্ডিয়া জোটের কী হবে? সেই প্রশ্নের উত্তর আগামী দিনে পাওয়া যাবে বলে পার্টি সূত্রে খবর। রবিবার বিকেলে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সাংবাদিক বৈঠক করেন পলিটব্যুরো সমন্বয়ক প্রকাশ কারাত ও রাজ্য সম্পাদক তথা পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম। কারাত জানিয়ে দেন, রাজনৈতিক খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
২-৬ এপ্রিল মাদুরাইয়ে অনুষ্ঠেয় পার্টি কংগ্রেসে তা রাখা হবে। পার্টির সমস্ত স্তরে আলোচনার জন্য ১ ফেব্রুয়ারি এই খসড়া প্রকাশ করা হবে। কেন্দ্রীয় কমিটি ফের ২২ ও ২৩ মার্চ খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য বৈঠকে বসবে। তাদের বিবৃতিতে গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তিকে স্বাগত জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিজেপির সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা,
মন্দির-মসজিদ ইস্যু, ইউজিসি ড্রাফট, কৃষি বিপণন নীতি ও নির্বাচন কমিশনের নিয়মের বিরোধিতা করা হয়েছে। ছবি: পিটিআই
প্রশ্ন উঠছে, কেরল লাইনে পার্টি চললে, ইন্ডিয়া জোটের কী হবে? সেই প্রশ্নের উত্তর আগামী দিনে পাওয়া যাবে বলে পার্টি সূত্রে খবর। রবিবার বিকেলে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সাংবাদিক বৈঠক করেন পলিটব্যুরো সমন্বয়ক প্রকাশ কারাত ও রাজ্য সম্পাদক তথা পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম। কারাত জানিয়ে দেন, রাজনৈতিক খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
২-৬ এপ্রিল মাদুরাইয়ে অনুষ্ঠেয় পার্টি কংগ্রেসে তা রাখা হবে। পার্টির সমস্ত স্তরে আলোচনার জন্য ১ ফেব্রুয়ারি এই খসড়া প্রকাশ করা হবে। কেন্দ্রীয় কমিটি ফের ২২ ও ২৩ মার্চ খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য বৈঠকে বসবে। তাদের বিবৃতিতে গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তিকে স্বাগত জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিজেপির সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা,
মন্দির-মসজিদ ইস্যু, ইউজিসি ড্রাফট, কৃষি বিপণন নীতি ও নির্বাচন কমিশনের নিয়মের বিরোধিতা করা হয়েছে। ছবি: পিটিআই



