নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চার বছর আগে পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে শুরু হয়েছিল। বাচ্চাদের ডায়াবেটিস বা টাইপ ১ ডায়াবেটিস নিয়ে বাংলার ১৫টি জেলা হাসপাতালে শুরু হয় নয়া কর্মসূচি। এইসব হাসপাতালে টাইপ ১ ডায়াবেটিস আউটডোর চালু হয়। সেখানে শুরু হয়েছিল বাচ্চাদের রোগ চিহ্নিতকরণ থেকে চিকিৎসা সবটাই। নেতৃত্বে ছিল পিজি হাসপাতালের এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগ। রূপায়ণে বিভাগীয় অধ্যাপক ডাঃ সুজয় ঘোষ। পশ্চিমবঙ্গের কাছে গর্বের বিষয়, এইবার সে প্রকল্প রূপ পেল জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচির। এই অবসরে ৯ ও ১০ জুলাই শহরে আয়োজিত হল দু’দিনের কর্মশালা। এসেছিলেন রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পদস্থ আধিকারিকরা। ছিলেন ইউনিসেফের প্রতিনিধিরাও। সূত্রের খবর, রাষ্ট্রীয় বাল স্বাস্থ্য কার্যক্রমের (আরবিএসকে) আওতায় আসছে নতুন কর্মসূচিটি। রূপায়িত হবে দেশজুড়ে। উপকৃত হবে টাইপ ১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত কমবেশি ১১ লক্ষ বাচ্চা। ধাপে ধাপে বাংলার বাকি ১৩টি জেলা হাসপাতালেও সপ্তাহে ১দিন করে শিশুদের ডায়াবেটিস আউটডোর চালু হবে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জেনারেল আউটডোর, আশাকর্মীদের ডাটাবেস সহ নানাভাবে রোগ-লক্ষণ থাকা বাচ্চাদের তথ্যপঞ্জি মিলবে। অভিভাবকদের সঙ্গে তারা আসবে জেলা হাসপাতালের এই টাইপ ১ ডায়াবেটিস আউটডোরে। ডাঃ ঘোষ বলেন, রোগ ধরা পড়লে এই আউটডোর থেকে আক্রান্ত বাচ্চাদের জন্য প্রতি মাসে এক মাসের ইনসুলিন, একটি গ্লুকোমিটার এবং ১০০টা করে সুগার পরীক্ষার স্ট্রিপ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। ৬ মাস বয়স থেকে বাচ্চারা এই কর্মসূচির সুবিধা পাবে। সুবিধা মিলবে আমৃত্যু।



