সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়া থেকে কোচবিহারের বক্সিরহাট পর্যন্ত ৯৫ কিমি ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের জমি দখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ। আর তাতেই ওই জাতীয় সড়ক ফের সম্প্রসারণ ও রাস্তার দু’ধারে উচ্ছেদের আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়া থেকে কোচবিহারের বক্সিরহাট পর্যন্ত ৯৫ কিমি ১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের জমি দখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ। আর তাতেই ওই জাতীয় সড়ক ফের সম্প্রসারণ ও রাস্তার দু’ধারে উচ্ছেদের আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়া থেকে জটেশ্বর, ফালাকাটা হয়ে ১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক কোচবিহারের ঘোকসাডাঙা, পুণ্ডিবাড়ি ও খাগড়াবাড়ি হয়ে বক্সিরহাট গিয়েছে। ২০১৭ সালে এই সড়ক একবার সম্প্রসারণ করা হয়েছিল। এবার এই জাতীয় সড়কের জমি দখলমুক্ত অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনএইচ কর্তৃপক্ষ। এজন্য মাইকিং শুরু করবে তারা। টানা এক সপ্তাহ মাইকে প্রচার করা হবে। তারপরেও না সরলে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ জমি দখলমুক্ত করতে আইনি নোটিস দেবে।
জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের কথা জানাজানি হতেই ব্যবসায়ীদের মধ্যে উচ্ছেদের আতঙ্ক জাঁকিয়ে বসেছে। যদিও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ রাস্তা সম্প্রসারণ বা উচ্ছেদ সম্পর্কে মুখে কুলুপ এঁটেছে। আলিপুরদুয়ারে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের ১০ নম্বর ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার জীতেন্দ্র প্যাটেল বলেন, সরকার তার সরকারি জমি বুঝে নেবে এটাই তো স্বাভাবিক। সরকারি জমি দখল করে রাখা যায় না। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের ওই আধিকারিক এনিয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
তবে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে জানাজানি হতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ফালাকাটা টাউন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রানা চৌধুরী বলেন, এনএইচএআইয়ের এমন সিদ্ধান্ত জানতে পেরে আমরা উদ্বিগ্ন। কারণ ১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারিত হলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন জটেশ্বর, ফালাকাটা ও পুণ্ডিবাড়ির ব্যবসায়ীরা। আমাদের এই উদ্বেগের কথা রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনকে জানাব।