Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

বিজেপি শাসিত হরিয়ানায় দেদার কন্যাভ্রুণ হত্যা

২০১৫ সালের জানুয়ারি। হরিয়ানার পানিপথে দাঁড়িয়ে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বিজেপি শাসিত হরিয়ানায় দেদার কন্যাভ্রুণ হত্যা
  • ১২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

চণ্ডীগড়: ২০১৫ সালের জানুয়ারি। হরিয়ানার পানিপথে দাঁড়িয়ে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতিশ্রুতি মিলেছিল, কন্যা সন্তানের জন্ম নিয়ে ভারতে এখনও যে সব কুসংস্কার কাজ করে, সে সব মোকাবিলা করবে এই প্রকল্প। মেয়েরা যাতে শিক্ষিত হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, তার ব্যবস্থাও এই প্রকল্পের মাধ্যমে হবে বলে জানিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু ঠিক দশ বছর পর সেই হরিয়ানাতেই কন্যাভ্রুণ হত্যার করুণ ছবি সামনে এল। সরকারি তথ্যই বলছে, ২০১৯ সালে হরিয়ানায় প্রতি হাজার জন পুরুষ পিছু মহিলার সংখ্যা ছিল ৯২৩। ২০২৪ সালে সেই হার দাঁড়িয়েছে প্রতি ১ হাজার পুরুষ পিছু ৯১০ জন মহিলা! লাগামছাড়া ভাবে বেড়েছে কন্যাভ্রুণ হত্যা, বেআইনিভাবে ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ। বিজেপি শাসিত হরিয়ানার এই ছবি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সামলাতে মাঠে নামতে হয়েছে রাজ্য প্রশাসনকে। বেআইনি গর্ভপাত ঠেকাতে তৈরি করা হয়েছে টাস্ক ফোর্স। স্বাস্থ্য, নারী ও শিশুকল্যাণ, ড্রাগ কন্ট্রোল ও পুলিসের প্রতিনিধিদের নিয়ে তৈরি ওই টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্ব দিচ্ছেন হরিয়ানার জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের ডিরেক্টর ডাঃ বীরেন্দ্র যাদব। এখনও পর্যন্ত  ১৫০০টি গর্ভপাত কেন্দ্রের মধ্যে তিনশোটির রেজিস্ট্রেশন হয় বাতিল, না হয় সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

টাস্ক ফোর্সের প্রধান বীরেন্দ্র জানিয়েছেন, বেআইনি কাজের জন্য ২৩টি  গর্ভপাত কেন্দ্রকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। ওই সেন্টারগুলিতে অভিযানও চালানো হয়েছে। গর্ভপাতের কিট বিক্রির জন্য 
১৭টি অনলাইন সেলার সংস্থার বিরুদ্ধেও এফআইআর দায়ের হয়েছে। হরিয়ানা সরকারের দাবি, মার্চে হরিয়ানায় পুরুষ ও মহিলার অনুপাতের সামান্য উন্নতি হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ