Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

উত্তরবঙ্গ মেডিকেলের মর্গে পড়ে রয়েছে ৫০টিরও বেশি বেওয়ারিশ দেহ, স্থানাভাব

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ৫০টিরও বেশি বেওয়ারিশ মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। ফলে মর্গে স্থানাভাব দেখা দিয়েছে।

উত্তরবঙ্গ মেডিকেলের মর্গে পড়ে রয়েছে ৫০টিরও বেশি বেওয়ারিশ দেহ, স্থানাভাব
  • ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ৫০টিরও বেশি বেওয়ারিশ মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। ফলে মর্গে স্থানাভাব দেখা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রশাসন অনুমতি দিলেই দেহগুলির সৎকার করা হবে। বিভিন্ন সময়ে লাশগুলি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নিয়ে এসেছিল একাধিক থানার পুলিশ। তবে সেই দেহগুলির ময়নাতদন্তের পর পরিচয় না মেলাতে এখনও মর্গেই পড়ে রয়েছে। অভিযোগ, মাঝেমধ্যেই মর্গের কুলার মেশিন খারাপ হলেই দেহগুলি থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে, ময়নাতদন্তের জন্য আসা অন্যান্য মৃতের পরিবার-পরিজনদের সমস্যায় পড়তে হয়। সরকারি নিয়ম মেনে বেওয়ারিশ লাশের দ্রুত সৎকার করার দাবি উঠেছে।

Advertisement

মেডিকেল কলেজ ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক থানা এলাকায় রেলে কাটা বা ভবঘুরেদের দেহই মূলত অজ্ঞাত পরিচিত বলে মর্গে পড়ে থাকে। পুলিশ বিভিন্ন থানাতেও ছবি পাঠিয়ে থাকে। এরপরেও যদি দেহ শনাক্ত না হয়, তাহলে নিয়মমাফিক ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে পুড়িয়ে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। পরিচয় মেলার আশায় অনেক সময় দেহ সংরক্ষিত করা হয়ে থাকে। তবে, বর্তমানে মর্গে দেহগুলি প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে পড়ে রয়েছে। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে, নিয়ম অনুযায়ী দেহ পুড়িয়ে ফেলা হলেও পরবর্তীতে পরিচয় মিললে যাতে কোনওভাবে সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করতে ডিএনএ সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে। মর্গের বেওয়ারিশ মৃতদেহের শনাক্ত করার জন্য মহকুমা শাসকের দপ্তর থেকে নির্দেশিকা জারি হলেই পুলিশের মদতে সমস্ত কাজ করা হয়ে থাকে। মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, এই সকল ক্ষেত্রে পুলিশ এবং মহকুমা শাসক সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। নির্দেশিকা মিললেই বর্তমানে যে বেওয়ারিশ দেহ রয়েছে সেগুলি সৎকারের ব্যবস্থা করা হবে।

এ বিষয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান রাজীব প্রসাদ বলেন, আমাদের মর্গে ৫০টিরও বেশি বেওয়ারিশ মৃতদেহ রয়েছে। আমরা নিয়ম মেনেই সেগুলি রেখেছি। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সেগুলি সৎকারের ব্যবস্থা করে থাকে। লাশ সংরক্ষণ করতে বেগ পেতে হয়।

শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসিপি রাকেশ সিং বলেন, আমরা সমস্ত বেওয়ারিশ মৃতদেহের পরিচয় খুঁজতে সরকারি নিয়মে কাজ করে থাকি। নির্দিষ্ট সময়ে লাশ সৎকারের নির্দেশিকা জারি করা হলে আমরা সেই কাজে সাহায্য করব।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ