সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি: ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে আছে। সেন্সাস আছে। প্রতি ১০ বছর অন্তর তা হয়ে থাকে। দু’টিতেই নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও পরিবারের বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হয়। অর্থাৎ, ডেটা সংগ্রহ। একের পর এক রাজ্যে এসআইআর চলছে। সেটাও ডেটা। এখানেই শেষ হচ্ছে না। এবার দেশবাসীর তাবৎ ব্যক্তিগত তথ্যও নিজেদের ডেটাবেসে রাখতে চাইছে মোদি সরকার। সেই মরিয়া প্রবণতার নবতম অধ্যায় ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ইনকাম সার্ভে। এপ্রিল থেকেই দেশজুড়ে শুরু হবে এই তথ্য আদায়। অর্থাৎ একই সময় সেন্সাস, এসআইআর এবং এই সার্ভে চলবে। জনগণকে লাগাতার সরকারি সমীক্ষকদের নিজেদের হাঁড়ির খবর দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে। কী হবে এই নতুন সমীক্ষায়? একটি পরিবারের আয়ের প্রতিটি তথ্য সরকারকে জানাতে হবে। অর্থাৎ একটি পরিবারের যতজন সদস্য আছে, তাদের সকলকেই ঘোষণা করতে হবে যে, সে কী আয় করে, আয়ের উৎস কী, কতদিন ধরে করছে। কেন এই উদ্যোগ? কারণ যাঁরা আয়কর দেন, একমাত্র তাঁদের ঘোষিত আয়ের সম্পর্কে তথ্য সরকারের কাছে থাকে। যে কোনও ব্যাংক লেনদেনের উপরও নজর থাকে আয়কর বিভাগের। কিন্তু আয়করদাতার সংখ্যা দেশে নগণ্য। খুব বেশি হলে ১০ কোটি। তার বাইরেও ওই পরিবারের এক বা একাধিক সদস্য কোনো না কোনোভাবে আয় করে থাকেন। তা টিউশন হোক, অথবা নাচগানের ক্লাস। অথবা অন্য কোনো ব্যবসা তথা পরিষেবা প্রদান। যে আয়ের তথ্য সরকারের কাছে নেই। এবার সব আয়ের সুলুকসন্ধান করে নিজের তথ্যভাণ্ডারে রাখবে কেন্দ্র। অর্থাৎ সব বলতে হবে।



