নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের (ইপিএফও) আওতায় যে ‘এগজেমটেড পিএফ ট্রাস্ট’গুলি আছে, সেগুলির আইনি বৈধতা অর্জনের সুযোগ দিতে উদ্যোগী হল কেন্দ্র। এর ফলে ওই ট্রাস্টগুলির আওতাভুক্ত কর্মীরা উপকৃতই হবেন। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, দেশে এমন বেশকিছু সংস্থা আছে, যাদের কর্মীদের পিএফ সংক্রান্ত যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ পরিচালিত হয় পিএফ ট্রাস্টের মাধ্যমে। এদের মধ্যে এমন কিছু ট্রাস্ট আছে, যেগুলি শুধুমাত্র ১৯৬১ সালের আয়কর আইনের উপর ভিত্তি করে রয়ে গিয়েছে। সেগুলির আলাদা করে স্বীকৃতি দেয়নি রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকার। অর্থাৎ কোনো সরকারের তরফে তাদের ‘এগজেমটেড ট্রাস্ট’ হিসাবে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের ব্যাখ্যা, ২০২৬ সালের ফিনান্স অ্যাক্ট অনুযায়ী সেই সুযোগ আছে, যেখানে এই সংস্থাগুলি একদিকে যেমন আয়কর আইনের আওতায় থাকতে পারবে, আবার এগজেমটেড ট্রাস্ট হিসাবে স্বীকৃতিও পাবে আইনি দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা ছাড়াই। যে অ্যামনেস্টি স্কিম সরকার ঘোষণা করেছে, তাতে ট্রাস্টগুলি ছ’মাস সময় পাবে নিজেদের বৈধতা অর্জনের জন্য। সরকার জানাচ্ছে, এই স্কিমের আওতায় যেসব সুবিধা মিলবে, তার মধ্যে অন্যতম ট্রাস্টের মেয়াদ। যবে থেকে ট্রাস্টগুলি তৈরি হয়েছে, সেদিন থেকেই ‘এগজেমটেড ট্রাস্ট’ হিসাবে স্বীকৃতি মিলবে তাদের। তাছাড়া বিগত সময়ে পিএফ বকেয়া, ‘ড্যামেজেস’ এবং সুদ বাবদ প্রাপ্য টাকার যেসব হিসাব বা অ্যাসেসমেন্ট বাকি আছে, তার হিসাব আর কষা হবে না এবং ধরে নেওয়া হবে ওই হিসাবের বই বন্ধ করে দেওয়া হল। তবে এক্ষেত্রে মূল শর্ত, কর্মীরা সঠিকভাবে পিএফ ও সুদের টাকা পেয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া ২০২০ সালের শ্রম কোড অনুযায়ী ন্যূনতম কর্মীসংখ্যা, তহবিল সংক্রান্ত নিয়মসহ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়া যাবে।



