নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: শহর সিউড়িতে গবাদি পশুর দল মূল সড়কের দখল নিয়েছে। ব্যস্ত রাস্তায় দিনের বিভিন্ন সময় গবাদিপশুর দল ঘুরে বেড়াচ্ছে। ওই রাস্তা ধরেই সিউড়ি থেকে দুবরাজপুর, ইলামবাজার সহ বিভিন্ন প্রান্তে যানবাহন চলাচল করে। দূরপাল্লার বাস ছাড়াও চলে বহু গাড়ি। ফলে রাস্তাজুড়ে গোরুর অবাধ বিচরণে মাঝেমধ্যেই তৈরি হয় যানজট। সেইসঙ্গে বাড়ে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও। অভিযোগ, রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো কিছু গোরু দাবিদারহীন। তবে অধিকাংশরই মালিকানা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে, কেন এভাবে রাস্তার উপর গোরু ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে? এছাড়াও দাবিদারহীন গোরুগুলিকে মূল রাস্তা থেকে সরানোর ক্ষেত্রে স্থানীয় পুরসভা কেন নিশ্চুপ? সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে গাড়ি চালকেরা দ্রুত সমস্যার সমাধান চাইছেন। তাঁদের কথায়, দ্রুত কড়া পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। পুরসভা চুপ করে থাকায় শহরের মূল রাস্তায় গবাদিপশুর ভিড় ক্রমশ বাড়ছে।
Advertisement
শহর সিউড়ির রবীন্দ্রপল্লি, সুভাষপল্লি হয়ে চলে যাওয়া রাস্তা পানাগড়-মোড়গ্রাম জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই রাস্তার গুরুত্ব অনেক বেশি। দিনের বেশিরভাগ সময়ই ওই রাস্তা ধরে দূরপাল্লার বাস চলাচল করে। মূলত দুবরাজপুর, ইলামবাজার, পানাগড়, বর্ধমানের বাসগুলি ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। সেইসঙ্গে একাধিক গাড়ি ও টোটোও চলাচল করে। এহেন ব্যস্ততম রাস্তা গবাদিপশুদের দখলে চলে যাওয়ায় চিন্তা বাড়ছে। গাড়ি চালকরা দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন। অনেকেই স্থানীয় পুরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরছেন। অভিযোগ, পুরসভার উদাসীনতার জেরেই রাস্তাজুড়ে গবাদিপশুর দাপাদাপি চলছে। গাড়ি চালকরা জানিয়েছেন, একধারে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে আচমকাই গোরু রাস্তার উপর চলে আসে। সেক্ষেত্রে অনেক সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রবল হয়ে ওঠে। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামীতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এমনকী গবাদিপশুদের প্রাণহানিও হতে পারে।
গাড়িচালক খোকন শেখ বলেন, যখন তখন রাস্তার উপর গোরু উঠে আসছে। গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করতে খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এবিষয়ে পুরসভার উচিত পদক্ষেপ করা। টোটোচালক বিকু শেখ বলেন, দুর্ঘটনার আশঙ্কা তো রয়েছেই। কিন্তু কে দেখবে? পুরসভার তরফে এখনই ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সিউড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, সমস্যা সমাধানের পশুপালন দপ্তরে চিঠি পাঠানো হবে। পরবর্তীতে দপ্তরের নির্দেশ মোতাবেক পদক্ষেপ করা হবে। অন্যদিকে, বীরভূম জেলা জেলা প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের আধিকারিক তুহিন চক্রবর্তী বলেন, অতিদ্রুত রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো গোরুর মালিকদের খুঁজে বের করা হবে। সেইসঙ্গে কতগুলি গোরু দাবিদারহীন, সেসব চিহ্নিত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে।
গাড়িচালক খোকন শেখ বলেন, যখন তখন রাস্তার উপর গোরু উঠে আসছে। গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করতে খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এবিষয়ে পুরসভার উচিত পদক্ষেপ করা। টোটোচালক বিকু শেখ বলেন, দুর্ঘটনার আশঙ্কা তো রয়েছেই। কিন্তু কে দেখবে? পুরসভার তরফে এখনই ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সিউড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, সমস্যা সমাধানের পশুপালন দপ্তরে চিঠি পাঠানো হবে। পরবর্তীতে দপ্তরের নির্দেশ মোতাবেক পদক্ষেপ করা হবে। অন্যদিকে, বীরভূম জেলা জেলা প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের আধিকারিক তুহিন চক্রবর্তী বলেন, অতিদ্রুত রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো গোরুর মালিকদের খুঁজে বের করা হবে। সেইসঙ্গে কতগুলি গোরু দাবিদারহীন, সেসব চিহ্নিত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে।



