Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মজা খাল ও অনুর্বর জমির মাটি দিয়েই  সাগরের তট পুনরুদ্ধার করবে সেচদপ্তর

মজা খাল ও অনুর্বর জমির মাটি দিয়েই  সাগরের তট পুনরুদ্ধার করবে সেচদপ্তর
  • ২ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাসখানেক বাদে গঙ্গাসাগর মেলা। তার জন্য এখন থেকেই জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রশাসনের সবচেয়ে বেশি চিন্তা রয়েছে সাগরের সমুদ্রতটের বেহাল দশা নিয়ে। তটের চেহারা ফেরাতে বিপুল পরিমাণ মাটি প্রয়োজন। বাইরে থেকে তা আনা কার্যত অসম্ভব। তাই সাগরদ্বীপের বিভিন্ন জায়গা থেকে মাটি কেটে এনে তটে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য মোট ৩২০০ কিউবিক মেট্রিক টন মাটি প্রয়োজন। সাগরদ্বীপের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা মজে যাওয়া খাল এবং  অনাবাদী জমি থেকে মাটি কেটে আনা হবে। পঞ্চায়েত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, প্রতি বছর যেভাবে গঙ্গাসাগরের সি বিচ ক্ষতির মুখে পড়ছে, তাতে দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না করা গেলে আগামী দিনে চাষের জমি থেকেই মাটি কেটে এখানে ফেলতে হবে। 
Advertisement
একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সমুদ্রের ঢেউয়ের ধাক্কায় সাগরের দুই এবং তিন নম্বর বিচের একেবারে বেহাল অবস্থা। অথচ মেলার সময় সবচেয়ে বেশি ভিড় হয় এই অংশে। জায়গাটির বর্তমান অবস্থা দেখলে মনে হবে নামেই সমুদ্র সৈকত। সেখানে বালির কোনও অস্তিত্ব নেই। শুধুই কাদামাটি। তট পুনরুদ্ধার করতে প্রথমে গাড়ি গাড়ি মাটি ফেলা হবে। তারপর পরবর্তী কাজ শুরু করবে সেচদপ্তর। গোটা ডিসেম্বর মাসজুড়ে এই কাজ চলবে। 
এক আধিকারিক বলেন, ‘১৯ হাজার ট্রাক্টর মাটি লাগবে ১ থেকে ৩ নম্বর বিচের কাজ করার জন্য। মাটি ফেলা শেষ হলে তার উপর ছড়ানো হবে বালি। প্রথম ধাপে ধবলাহাট এবং গঙ্গাসাগর পঞ্চায়েত এলাকা থেকে মাটি সংগ্রহ করা হবে। পরে রুদ্রনগর থেকে মাটি আনা হবে। গঙ্গাসাগর পঞ্চায়েতের এক সদস্য বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে কোটি কোটি টাকা খরচ করে শুধু মাটি ফেলা হচ্ছে। কিন্তু মেলা মিটে গেলে ঢেউয়ের ধাক্কায় সব ধুয়ে যাচ্ছে। পাকাপোক্ত ব্যবস্থা দরকার।’
সম্পর্কিত সংবাদ