Bartaman Logo
৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আদিবাসী সংগঠনের ধরনামঞ্চে মন্ত্রী ক্ষুদিরামের সুরাহার আশ্বাস

শিক্ষা, জমির অধিকার, পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানের মতো একাধিক মৌলিক দাবি পূরণের লক্ষ্যে দুর্গাপুরে দিশম আদিবাসী গাঁওতা মঞ্চের লাগাতার ধরনা কর্মসূচি শনিবার ৫৫ দিনে পড়ল।

আদিবাসী সংগঠনের ধরনামঞ্চে মন্ত্রী ক্ষুদিরামের সুরাহার আশ্বাস
  • ১৭ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: শিক্ষা, জমির অধিকার, পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানের মতো একাধিক মৌলিক দাবি পূরণের লক্ষ্যে দুর্গাপুরে দিশম আদিবাসী গাঁওতা মঞ্চের লাগাতার ধরনা কর্মসূচি শনিবার ৫৫ দিনে পড়ল। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকার অভিযোগ তুলে দুর্গাপুরের ভগৎ সিং ক্রীড়াঙ্গনের পাশে গত ২৬ মার্চ থেকে এই আন্দোলন শুরু করেছে আদিবাসী সংগঠন। এদিন আন্দোলনকারীদের ধরনামঞ্চে উপস্থিত হয়ে তাঁদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের নবনিযুক্ত মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু।

Advertisement

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষা, জমির অধিকার, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের মতো মৌলিক বিষয় উপেক্ষিত হয়েছে। সেই কারণেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে মূলত ছ’দফা দাবি নিয়ে ২৬ মার্চ থেকে লাগাতার ধরনা শুরু করে দিশম আদিবাসী গাঁওতা। তাঁদের প্রধান দাবিগুলি হল, কাঁকসার আদিবাসী এলাকায় ইংরেজি মাধ্যম স্কুল চালু, আদিবাসীদের জমির পাট্টা দেওয়া, খনি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পুনর্বাসন, আইকিউসিটি প্রকল্পে জমি হারানো পরিবারগুলির কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং এসআইআর তালিকা থেকে বাদ পড়া নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা। এছাড়াও পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আবাসিক স্কুলে দীর্ঘদিন ধরে গ্র্যান্ড বন্ধ হওয়ায় অনগ্রসর শ্রেণির শিশুরা পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ। ধর্নামঞ্চে এসে মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, ‘আগের তৃণমূল সরকার আদিবাসীদের জমির পাট্টা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। ফলে সমস্যার মধ্যেই দিন কাটাতে হয়েছে তাঁদের। এখন বিজেপির সরকার গঠন হয়েছে এবং আমি মন্ত্রিত্ব পেয়েই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। এলাকার বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দোপাধ্যায় ও লক্ষ্মণ ঘড়ুই এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।’ পাশাপাশি কাঁকসার পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আবাসিক স্কুলের সমস্যা নিয়েও তিনি পদক্ষেপের আশ্বাস দেন।
আন্দোলনকারী শৈলমান মাণ্ডি বলেন, মূলত শিক্ষা, বাসস্থান ও কর্মসংস্থান নিয়েই আমাদের ধরনা। বিশেষ করে পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু আবাসিক স্কুলে গ্র্যান্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু পিছিয়ে পড়া পরিবারের পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়েছে। তাই নতুন সরকারের কাছে দ্রুত দাবি পূরণের আবেদন জানিয়েছি। মন্ত্রীর আশ্বাসে আপাতত আশার আলো দেখছেন আন্দোলনকারীরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ