নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের শিরোনামে আর জি কর হাসপাতাল। ইমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ে মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পর এবার হস্টেলে আত্মহত্যার চেষ্টা। আর জি করের মহিলা হস্টেলের ভিতরে হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক নার্সিং ছাত্রী। শনিবার গভীর রাতে বি সি রায় হস্টেলে ঘটনাটি ঘটে। এর জেরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায়। রুমমেট বান্ধবীর সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরেই এই ঘটনা বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিস। ঘটনায় পরিবারের তরফে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি পুলিসের কাছে। যদিও পৃথকভাবে আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনায় অনুসন্ধান করছে পুলিস।
Advertisement
২০২৩ সালে আর জি করে নার্সিং পড়াশোনা শুরু করেন ওই ছাত্রী। বি সি রায় হস্টেলের দোতলার ঘরে থাকেন ২৩ বছরের তরুণী। সূত্রের খবর, ওই ঘরে আরও এক নার্সিং ছাত্রী ছিলেন। সম্প্রতি দু’জনের বন্ধুত্বে চিড় ধরে। যদিও তার কারণ এখনও স্পষ্টভাবে জানতে পারেনি পুলিস। মাঝেমধ্যেই দুই ছাত্রীর মধ্যে বিবাদ-অশান্তি লেগে থাকত। হস্টেল সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগে রুমমেটের বিরুদ্ধে হস্টেল সুপারকে অভিযোগ জানান তরুণী। তাতে বিশেষ কর্ণপাত করেননি হস্টেল সুপার। শনিবার সন্ধ্যায় দু’জনের বিবাদ বাধে। ব্লেড দিয়ে হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। এই দৃশ্য দেখতে পেয়েই অন্যান্য আবাসিককে চিৎকার করে ডাকেন তরুণীর রুমমেট।
দ্রুত আহতকে উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের পাঁচতলায় ভর্তি করা হয়। আর জি কর হাসপাতাল সূত্রে খবর, আহতের অবস্থা স্থিতিশীল। তাঁকে আজ, সোমবার ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। এ প্রসঙ্গে, নার্সেস ইউনিটির অন্যতম সদস্য ভাস্বতী মুখোপাধ্যায় বলেন, পড়ুয়ারা ছেলেমেয়ের মতো। তাঁদের কথা হস্টেল কর্তৃপক্ষের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। মেডিক্যাল সার্ভিস সেন্টারের রাজ্য সম্পাদক ডাক্তার বিপ্লব চন্দ্রের কথায়, হস্টেলে আত্মহত্যার প্রচেষ্টা থেকে বোঝা যায়, কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন।
দ্রুত আহতকে উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের পাঁচতলায় ভর্তি করা হয়। আর জি কর হাসপাতাল সূত্রে খবর, আহতের অবস্থা স্থিতিশীল। তাঁকে আজ, সোমবার ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। এ প্রসঙ্গে, নার্সেস ইউনিটির অন্যতম সদস্য ভাস্বতী মুখোপাধ্যায় বলেন, পড়ুয়ারা ছেলেমেয়ের মতো। তাঁদের কথা হস্টেল কর্তৃপক্ষের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। মেডিক্যাল সার্ভিস সেন্টারের রাজ্য সম্পাদক ডাক্তার বিপ্লব চন্দ্রের কথায়, হস্টেলে আত্মহত্যার প্রচেষ্টা থেকে বোঝা যায়, কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন।



