Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মহিলা চিকিৎসককে দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষিতার মেডিক্যাল চেকআপ

মহিলা চিকিৎসককে দিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষিতার মেডিক্যাল চেকআপ
  • ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সুজিত ভৌমিক, কলকাতা: সম্ভব হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোনও মহিলা চিকিৎসককে দিয়ে ধর্ষিতার মেডিক্যাল চেকআপ করাতে হবে। একারণে এলাকায় কর্মরত বা বসবাসকারী সরকারি ও বেসরকারি মহিলা চিকিৎসকদের নামের তালিকা বা ডিরেক্টরি রাখতে হবে প্রতিটি থানায়। থানার ওসিদেরই দায়িত্ব নিয়ে এই কাজ করতে হবে। কলকাতা পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছেন বলে লালবাজারের এক সূত্রে জানা গিয়েছে। 
Advertisement
সূত্রটির দাবি, থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হলে তদন্তকারী অফিসার যাতে এই ডিরেক্টরির সাহায্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহিলা চিকিৎসককে দিয়ে দ্রুত অভিযোগকারিণীর মেডিক্যাল চেকআপ করাতে পারেন, তার জন্যই এই উদ্যোগ। ধর্ষণ, গণধর্ষণ, পকসো আইনের কয়েকটি ধারায় দায়ের হওয়া মামলার ক্ষেত্রে একটি আদর্শ বিধিও (এসওপি) তৈরি করেছেন পুলিস কমিশনার। সেই বিধিতে এই নির্দেশের কথা উল্লেখ রয়েছে। এই ধরনের মামলার তদন্তে গতি আনতে ও তদন্তকারী অফিসারের সক্রিয়তা বাড়াতে এই আদর্শবিধি তৈরি করেছে লালবাজার। ইতিমধ্যেই তা  সব থানার ওসিদের পাঠানো হয়েছে। 
৪০ পাতার এই আদর্শ বিধির আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য হল, এখন থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ধর্ষণ, গণধর্ষণ, পকসো মামলাকে ‘স্পেশাল রিপোর্ট কেস’ বা ‘এসআর কেস’ বলে গণ্য করতে হবে। এসআর কেস কী? পুলিসের ভাষায় ‘এসআর কেস’ হল, খুন, ডাকাতির মতো মামলায় যেখানে ডিসি এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারের নজরদারিতে তদন্ত হয়। এতকাল কলকাতা পুলিসে সাধারণত খুন, ডাকাতির মতো মামলাকে ‘এসআর কেস’ বলে গণ্য করা হতো। এবার এই তালিকায় পাকাপাকিভাবে ধর্ষণ, গণধর্ষণ, পকসো মামলা ঠাঁই পেতে চলেছে। এই ধরনের মামলায় চার্জশিট দেওয়ার ক্ষেত্রেও বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দিয়েছেন সিপি। তদন্ত শেষ হলে কিংবা অন্তত একজন অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হলে অথবা পলাতক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি হলে তবেই চার্জশিট পেশ করা যাবে। এছাড়াও পকসো মামলার ক্ষেত্রে নির্যাতিতার জন্য একজন সাহায্যকারী নিয়োগের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে তদন্তকারী অফিসারকে। সিডব্লুসি’র মাধ্যমে তদন্তকারী অফিসার এই নিয়োগ করবেন।
সম্পর্কিত সংবাদ