সংবাদদাতা, বনগাঁ: পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নিয়ে প্রধানের পদেই বহাল থাকলেন বনগাঁ ব্লকের ৯ জন। তাঁরা সকলেই তৃণমূলের। শুক্রবার বিডিও রত্নেশ গুপ্তার সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতারা। সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে তাঁরা ৯ জনই বিডিওকে দেওয়া পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নেন। বলেন, আগামী দিনে আমরা সমন্বয় রেখে কাজ করব। জুন মাসের শেষদিকে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বনগাঁ ব্লকের মোট ১৬টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ১০ জন প্রধান ইস্তফা দিয়েছিলেন। তাঁরা বিডিও’র কাছে পাঠিয়েছিলেন সেই পদত্যাগপত্র। তাঁদের মধ্যে ৯ জন শুক্রবার পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নেন। শুধুমাত্র বৈরামপুর পঞ্চায়েতের প্রধান তনুজা খাতুনের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে বলে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। একঝাঁক প্রধান আচমকা পদত্যাগ করায় পঞ্চায়েতগুলিতে অচলাবস্থা দেখা দেয়। যে কারণে সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন সাধারণ মানুষ। থমকে গিয়েছিল উন্নয়নের কাজ। পরবর্তীকালে বিডিও সবাইকে নোটিস দেন। বৈরামপুর পঞ্চায়েত ছাড়া ৯ জন প্রধান জানান, মানুষের অসুবিধার কথা ভেবে তাঁরা প্রধান হিসাবে কাজ চালিয়ে যেতে চান। শুক্রবার বিডিও ৯টি পঞ্চায়েতের প্রধান ও বিরোধী দলনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে ঠিক হয়, সকলে একসঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবেন। ধরমপুকুরিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান তাপস মণ্ডল বলেন, আমি ব্যক্তিগত কারণে প্রধানের পদ থেকে সরে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মানুষের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত বদল করেছি। আগামী দিনে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে চাই। গোপালনগর ১ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান মুক্তি হালদার বলেন, আমরা চাই যাতে মানুষ সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হয়। সেজন্য আমরা সিদ্ধান্ত বদল করেছি। বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার এসসি মোর্চার সভাপতি শোভন বৈদ্য বলেন, পঞ্চায়েতের প্রধানরা দুর্নীতির দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। প্রশাসন নিয়ম মেনেই কাজ করেছে।



