নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: নির্বিঘ্নে মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পন্ন করতে বেশকিছু পদক্ষেপ নিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। পরীক্ষার দিনে পণ্যবাহী ভারী যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। জেলাজুড়ে ২৫টির বেশি ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথ থাকছে। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে ডিস্ট্রিক্ট কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ডিআই(মাধ্যমিক) ৯৮৫১১৭৩৩৮৮নম্বর এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার ডিস্ট্রিক্ট কনভেনরকে ৯৪৩৪৬৯২১০১নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। পর্ষদের মেদিনীপুর রিজিওনাল অফিসেও কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কন্ট্রোল রুম নম্বর হল-০৩২২২ ২৭৫৫২৪। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট পরীক্ষার্থী ৬০হাজার ১৩৬। ছাত্র সংখ্যা ২৮হাজার ৭৮৪জন। ছাত্রী ৩১হাজার ৩৫২জন। গতবছর মোট ৫৭হাজার ১০০জন পরীক্ষা দিয়েছিল। তমলুক মহকুমায় ২১হাজার ৫৮৮জন পরীক্ষায় বসবে। হলদিয়া মহকুমায় পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১১হাজার ৭৬৭। কাঁথি মহকুমায় পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৫হাজার ৬জন। এগরা মহকুমায় পরীক্ষায় বসছে মোট ১১হাজার ৭৭৫জন। মোট সেন্টার সংখ্যা ১১২টি। তারমধ্যে মূল কেন্দ্র ৬৪টি। প্রত্যেক মূল পরীক্ষাকেন্দ্রে একজন অফিসার ইন-চার্জ থাকবেন। মূলত স্কুল পরিদর্শকরাই অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বাকি ৩৪টি সাব ভেনুতে একজন করে সরকারি আধিকারিক অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন। পর্ষদ মনোনীত একজন করে ১১২টি কেন্দ্রে অ্যাডিশনাল ভেনু সুপারভাইজার থাকবেন। তাঁরা পর্ষদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলবেন।
Advertisement
জেলাশাসকের নির্দেশে পূর্ব মেদিনীপুরে প্রত্যেক পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে ফ্লেক্স টাঙানো হয়েছে। সেখানে পরীক্ষার্থীদের কী করণীয় এবং কী করণীয় নয়, সেটা উল্লেখ করা হয়েছে। অফিসার ইনচার্জ, সেন্টার সেক্রেটারি এবং অ্যাডিশনাল ভেনু সুপারভাইজার ছাড়া প্রত্যেকের মোবাইল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত জমা রাখতে হবে। পরীক্ষা চলাকালীন কোনও শিক্ষক-শিক্ষিকা মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না। পরীক্ষাকেন্দ্রের ক্যাম্পাস ও গেটে পুলিসি পাহারা থাকবে। পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার মুখে পরীক্ষার্থীদের চেকিং করা হবে। সিনিয়র শিক্ষক শিক্ষিকারা এই ডিউটি পালন করবেন। ওই কাজে পুলিস হস্তক্ষেপ করবে না। কোনও পরীক্ষার্থীর কাছে ইলেক্ট্রনিক গেজেট থাকলে পরীক্ষা শুরুর আগে ইনভিজিলেটর একবার প্রত্যেককে এনিয়ে সতর্ক করবেন। সেইসময় কেউ লুকিয়ে এধরনের গেজেট নিয়ে সারেন্ডার থাকলে ক্ষমা করা হবে। কিন্তু, পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর ধরা পড়লে পরীক্ষা বাতিল হবে। সেইসঙ্গে আইনানুগ পদক্ষেপ নেবে পর্ষদ।
মাধ্যমিকের মেদিনীপুরের ডিস্ট্রিক্ট কনভেনর সত্যজিৎ কর বলেন, আমাদের জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সবরকম প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রশাসনিকস্তরে দফায় দফায় মিটিং হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাও মসৃণ রাখার জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিস। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) অফিস থেকে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার(ট্রাফিক) শ্যামলকুমার মণ্ডল বলেন, আমরা পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে থেকেই মালবাহী গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করব। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর কিছুটা শিথিল করা হবে। পরীক্ষা শেষের আগে ফের নিয়ন্ত্রণ করা হবে। প্রতিটি থানা এলাকায় একটি করে ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথ থাকবে। মোটর বাইকে ট্রাফিক পুলিস টহল দেবে। কোনও পরীক্ষার্থী সেন্টারে পৌঁছতে অসুবিধায় পড়লে প্রয়োজনে বাইকে ট্রাফিক পুলিস সেন্টারে পৌঁছে দেবে। পরীক্ষা কেন্দ্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে টোটো কিংবা অন্য কোনও যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকতে দেওয়া হবে না। প্রত্যেক পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার থাকবে। তারা সেন্টারে আসা বাইক ও অন্যান্য যানবাহন ঠিকমতো পার্কিংয়ের ডিউটি পালন করবে।
মাধ্যমিকের মেদিনীপুরের ডিস্ট্রিক্ট কনভেনর সত্যজিৎ কর বলেন, আমাদের জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সবরকম প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রশাসনিকস্তরে দফায় দফায় মিটিং হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাও মসৃণ রাখার জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিস। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) অফিস থেকে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিস সুপার(ট্রাফিক) শ্যামলকুমার মণ্ডল বলেন, আমরা পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে থেকেই মালবাহী গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করব। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর কিছুটা শিথিল করা হবে। পরীক্ষা শেষের আগে ফের নিয়ন্ত্রণ করা হবে। প্রতিটি থানা এলাকায় একটি করে ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথ থাকবে। মোটর বাইকে ট্রাফিক পুলিস টহল দেবে। কোনও পরীক্ষার্থী সেন্টারে পৌঁছতে অসুবিধায় পড়লে প্রয়োজনে বাইকে ট্রাফিক পুলিস সেন্টারে পৌঁছে দেবে। পরীক্ষা কেন্দ্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে টোটো কিংবা অন্য কোনও যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকতে দেওয়া হবে না। প্রত্যেক পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার থাকবে। তারা সেন্টারে আসা বাইক ও অন্যান্য যানবাহন ঠিকমতো পার্কিংয়ের ডিউটি পালন করবে।



