Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

প্রশাসনের নজর এড়াতে স্বচ্ছ্ব ভাবমূর্তিদেরই নিয়োগ করত মাস্টারমাইন্ডরা, হোয়াইট কলার টেরর মডিউল

বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে যোগ, পুলিসের খাতায় নাম, অপরাধ প্রবণতা—এমন রেকর্ড থাকলে প্রশাসনের রেডারে থাকার আশঙ্কা প্রবল। তাই হোয়াইট কলার টেরর মডিউলের জন্য জম্মু-কাশ্মীরের স্বচ্ছ্ব ভাবমূর্তির তরুণদেরই নিয়োগ করা হচ্ছিল। দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে এমনই তথ্য হাতে পেয়েছেন আধিকারিকরা।

প্রশাসনের নজর এড়াতে স্বচ্ছ্ব ভাবমূর্তিদেরই নিয়োগ করত মাস্টারমাইন্ডরা, হোয়াইট কলার টেরর মডিউল
  • ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

শ্রীনগর ও নয়াদিল্লি: বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে যোগ, পুলিসের খাতায় নাম, অপরাধ প্রবণতা—এমন রেকর্ড থাকলে প্রশাসনের রেডারে থাকার আশঙ্কা প্রবল। তাই হোয়াইট কলার টেরর মডিউলের জন্য জম্মু-কাশ্মীরের স্বচ্ছ্ব ভাবমূর্তির তরুণদেরই নিয়োগ করা হচ্ছিল। দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে এমনই তথ্য হাতে পেয়েছেন আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে কোনও যোগ নেই, পুলিশের খাতায় কখনও নাম ওঠেনি, এমন কিশোর ও  যুবকদের টার্গেট করত হ্যান্ডলাররা। ফলে নবনিযুক্ত এই সব জঙ্গিদের ব্যাপারে প্রাথমিকভাবে কোনও তথ্য বা ধারনাই থাকত না প্রশাসনের। তদন্তকারীদের মতে, বিগত দু’দশক ধরে জঙ্গি নিয়োগে নির্দিষ্ট প্যাটার্ন মেনে চলত মাস্টারমাইন্ডরা। বিচ্ছিন্নতাবাদের সমর্থক, অপরাধপ্রবণদেরই দলে টানা হতো। সেই কৌশল বদলে ফেলেছে তারা। ডাঃ আদিল, তার ভাই ডাঃ মুজফ্ফর, ডাঃ মুজাম্মিলদের জেরা করে এই তথ্যই মিলেছে।  এই তিন চিকিৎসকও এর আগে কোনও দেশবিরোধী কাজে যুক্ত হয়নি। তাদের পরিবারেরও ‘ক্রিমিনাল রেকর্ড’ নেই। দিল্লি বিস্ফোরণে আত্মঘাতী জঙ্গি ডাঃ উমর নবির ক্ষেত্রেও একই তথ্য মিলেছে। 

Advertisement

এক আধিকারিক বলেন, চিকিৎসকরা প্রাণ রক্ষা করেন। তাঁরা নাশকতামূলক কাজকর্মে জড়িয়ে থাকবেন, তা অভাবনীয়। তাই অভিযোগ উঠলে পেশাগত পরিচয় ঢাল হয়ে ওঠে। হোয়াইট কলার মডিউলের মাস্টারমাইল্ডরা সেই সুযোগই নিয়েছিল। নওগাঁওতে পুলিস ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে পোস্টারের তদন্তে নেমে সর্বপ্রথম এই মডিউলের খোঁজে মেলে। কিন্তু, দিল্লি বিস্ফোরণের পরই ধীরে ধীরে তাদের গোটা ব্লু-প্রিন্ট প্রকাশ্যে আসছে।  এরমধ্যে শনিবার গভীর রাতে অনন্তনাগের মালাকনাগের এক চিকিৎসকের বাড়িতে হানা দিয়েছিল এজেন্সি। সেখানে হরিয়ানার এক মহিলা চিকিৎসককে আটক করা হয়। তাঁর নাম প্রিয়াঙ্কা শর্মা। বাড়ি রোহতকে। অনন্তনাগের সরকারি মেডিকেল কলেজে কর্মরত এই চিকিৎসক ওই বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন।  যদিও জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, ওই মেডিকেল কলেজ থেকে ধৃত আদিলকে জেরায় প্রিয়াঙ্কার নাম উঠে আসে। এছাড়াও বিলাল আহমেদ ওয়ানি নামে এক ফল বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে বিলাল গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

সম্পর্কিত সংবাদ