Bartaman Logo
২৮ জুন, ২০২৬

হাফিজ সইদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ধন্যবাদ জানান মনমোহন, বিস্ফোরক দাবি জঙ্গি ইয়াসিন মালিকের

পাকিস্তান ও পাক মদতে বেড়ে ওঠা জঙ্গিগোষ্ঠীর একের পর এক হামলার পরও চুপ থেকেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। পাল্টা জবাব দেওয়ার বদলে বারবার মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছে।

হাফিজ সইদের সঙ্গে বৈঠকের  জন্য ধন্যবাদ জানান মনমোহন, বিস্ফোরক দাবি জঙ্গি ইয়াসিন মালিকের
  • ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৫:০৯
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পাকিস্তান ও পাক মদতে বেড়ে ওঠা জঙ্গিগোষ্ঠীর একের পর এক হামলার পরও চুপ থেকেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। পাল্টা জবাব দেওয়ার বদলে বারবার মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছে। বরাবর এমনই অভিযোগ বিজেপির। এরইমাঝে বিস্ফোরক মন্তব্য জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের নেতা তথা জঙ্গি ইয়াসিন মালিকের। জঙ্গি কার্যকলাপে আর্থিক মদত মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত  ইয়াসিনের দাবি, ২০০৬ সালে লস্কর-ই-তোইবার প্রধান ও ২৬/১১ হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল সে। আর এর নেপথ্যে ছিলেন ভারতের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্তারা। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা পৌঁছে দিতে এই বৈঠক হয়েছিল। পরে সেজন্য তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলেন মনমোহন। আদালতে পেশ করা হলফনামায় ইয়াসিনের এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসকে নিশানা করেছে বিজেপি। শুক্রবার বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যের কটাক্ষ, জাতীয় সুরক্ষা ও পিছনের দরজার কূটনীতিতে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠে গেল। পাল্টা জবাব দিয়েছে কংগ্রেসও। দলের নেতা পবন খেরার দাবি, মনমোহন ও ইউপিএ সরকারের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করতে হলফনামার কিছু বাছাই অংশ ব্যবহার করছে বিজেপি। পাল্টা বিজেপি ও আরএসএসের সঙ্গে ইয়াসিনের যোগাযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। 

Advertisement

উল্লেখ্য, হলফনামায় ইয়াসিন আরও জানিয়েছে, ১৯৯০ সালে গ্রেফতারির পর ভিপি সিং,বাজপেয়ি থেকে শুরু করে মনমোহন সিং পর্যন্ত, টানা ছ’টি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তার।২৫ আগস্ট দিল্লি হাইকোর্টে একটি হলফনামা জমা দিয়েছে ইয়াসিন। সেখানে সে দাবি করেছে, ২০০৬ সালে ভারতের গোয়েন্দা কর্তাদের অনুরোধেই পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার জন্য গিয়েছিল সে। পাকিস্তান সফরের আগে দিল্লিতে তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর তৎকালীন স্পেশ্যাল ডিরেক্টর ভি কে যোশি। ইয়াসিনের কথায়, ‘শুধুমাত্র পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব নয় জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রধানদের সঙ্গেও আলোচনা করতে বলেছিলেন যোশি। তাই হাফিজ সইদের সঙ্গে বৈঠক হয়। ভারতে ফেরার পর এক সন্ধ্যায় রাজধানীতে মনমোহনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এম.কে নারায়ণন। সেদিন আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন মনমোহন।’  ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ