Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নাবালিকাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে বেদম মার, প্রৌঢ়কে পুলিসের হাতে তুলে দিল জনতা

এক নাবালিকাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে সোমবার দুপুরে উত্তেজনা ছড়াল কালীবাবুর বাজার এলাকায়। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নাবালিকার অঙ্কন শিক্ষক বলে জানা গিয়েছে। এদিন দুপুরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে মারধর করে পুলিসের হাতে তুলে দেয়।

নাবালিকাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে বেদম  মার, প্রৌঢ়কে পুলিসের হাতে তুলে দিল জনতা
  • ১১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: এক নাবালিকাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে সোমবার দুপুরে উত্তেজনা ছড়াল কালীবাবুর বাজার এলাকায়। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নাবালিকার অঙ্কন শিক্ষক বলে জানা গিয়েছে। এদিন দুপুরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে মারধর করে পুলিসের হাতে তুলে দেয়। অভিযোগ, ১০ বছরের এক নাবালিকাকে সম্প্রতি যৌন হেনস্তা করে সে পালিয়ে গিয়েছিল। অভিযুক্তের নাম তাপস মণ্ডল। তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে হাওড়া থানার পুলিস।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় আঁকার শিক্ষক তাপস হাওড়ার স্বামী বিবেকানন্দ রোডে একটি মেয়েকে আঁকা শেখাত। মাঝেমধ্যেই ছাত্রীর সঙ্গে সে অশ্লীল ও আপত্তিকর আচরণ করত বলে অভিযোগ। কিন্তু শিশুটি ভয়ে কাউকে কিছু জানাতে পারেনি অনেকদিন। একদিন শিশুটি যৌন হেনস্তায় বাধা দিলে তাকে স্কেল দিয়ে বেধড়ক মারধর করে অভিযুক্ত। ওই ঘটনার পর আঁকার শিক্ষককে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়। কিছুদিনের মধ্যে নাবালিকা পরিবারের সদস্যদের আঁকার শিক্ষকের কাণ্ডকারখানা সবটা জানায়। তারপর পরিবারের  সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় তাপসকে খোঁজাখুঁজি করলেও তার হদিশ মিলছিল না। এই অবস্থায় সোমবার দুপুরে দেখা যায়, তাপস নতুন আঁকার স্কুল খোলার প্রচারমূলক পোস্টার সাঁটাচ্ছে কালীবাবুর বাজার এলাকায়। তখনই তাকে ধরে ফেলেন নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয় বাসিন্দারাই  অভিযুক্তকে উত্তমমধ্যম দেয়। তারপর হাওড়া থানার পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে। 
নাবালিকার পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘ও যে এই ধরনের কাজ করত, আমরা কেউ বুঝতে পারিনি। আমাদের মেয়েকে সেদিন ভীষণ মেরেছিল বলে ওকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপর সবটা জানতে পেরে ওকে অনেক জায়গায় খুঁজি আমরা। আমরা ওর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’ জানা গিয়েছে, এই শিক্ষক এর আগেও একটি ছ’বছরের শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে জেলে গিয়েছিল। ২০২৩ সালে হাওড়া থানা এলাকার একটি ক্লাবে আঁকা শেখানোর অছিলায় শিশুকে যৌন হেনস্তার সময় ধরা পড়ে সে। তিন মাস জেল খেটে বেরনোর পর এখানে ক্লাস শুরু করে। তবে এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত নাবালিকার পরিবারের তরফে হাওড়া থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ