কলকাতা, ২৩ জুন: ‘ঋতব্রত তৃণমূল’ বনাম ‘কালীঘাট তৃণমূল’! বর্তমানে দুই শিবিরে বিভক্ত ঘাস-ফুল। কিন্তু দলের রাশ কার হাতে থাকবে? কে দলের ‘চেয়ারপার্সন’? দুই শিবিরের দাবি, পাল্টা দাবিতে এই মুহূর্তে সরগরম বঙ্গ রাজনীতি। এই প্রশ্নে যুক্ত হল নয়া মাত্রা। তৃণমূলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই, ঋতব্রতদের চ্যালেঞ্জ করে এবার ‘নথি-বোমা’ আদিদের। ফলে অদূর ভবিষ্যতে এই লড়াই আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অথচ ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’ ঠাঁই হয়নি মমতার। ছেঁটে ফেলা হয়েছে অভিষেককেও। গতকালই মমতার জায়গায় সর্বভারতীয় চেয়ারপার্সন পদে মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে বেছে নিয়েছেন নব্য তৃণমূল নেতারা। কিন্তু আজ, মঙ্গলবার সকালে রীতিমতো নথি প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই চেয়ারপার্সন বলে ঘোষণা করল ‘আদি’রা।
এদিন কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। যেখানেদেখানো হয়েছে, গত ২০ জুন তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক বসেছিল। এবং সেই বৈঠকেই সর্বভারতীয় চেয়ারপার্সন হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচিত করা হয়। সঙ্গে গঠন করা হয়েছে ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি। তৃণমূলের বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনকে ইতিমধ্যে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে বলে মমতা শিবিরের দাবি।