Bartaman Logo
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ত্রাণ শিবিরে গিয়ে দুর্গতদের সঙ্গে কথা বললেন মালতীপুরের বিধায়ক রহিম

এখনও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে গঙ্গা ও ফুলহার। ফলে এখনও অনবরত জল ঢুকছে গ্রামে

ত্রাণ শিবিরে গিয়ে দুর্গতদের সঙ্গে কথা বললেন মালতীপুরের বিধায়ক রহিম
  • ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মঙ্গল ঘোষ, পুরাতন মালদহ: এখনও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে গঙ্গা ও ফুলহার। ফলে এখনও অনবরত জল ঢুকছে গ্রামে। জলমগ্ন মালদহ জেলার মানিকচক ও রতুয়া ১ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার রতুয়া ১ ব্লকের জলমগ্ন মহানন্দাটোলা এবং বিলাইমারি গ্রাম পরির্দশন করলেন মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি। এলাকার বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরে গিয়ে দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন। সামগ্রিক পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন বিধায়ক। হেঁটেও বিভিন্ন এলাকা ঘোরেন তৃণমূল বিধায়ক।

Advertisement

কয়েক দিনের মধ্যে ভাঙন এবং বন্যা কবলিত ওই ব্লকের আরও অন্য এলাকা পরির্দশন করবেন তিনি। যথাসাধ্য ত্রাণের ব্যবস্থা করে দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক। তিনি বলেন, রতুয়া ১ ব্লকের অবস্থা ভয়াবহ। ব্যাঙ্ক, ফাঁড়ি, স্কুল, গ্রাম- সবই জলমগ্ন। রাস্তাঘাট জলের তলায়। এলাকায় গিয়ে দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেছি। রাজ্য সরকার ত্রাণ দিলেও তা পর্যাপ্ত নয়। 
এবারের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে বিধায়ক জানান, আগে নদীর জল খুব বাড়লে ভাঙন বন্ধ হয়ে যেত। এতে অনেকে রেহাই পেত। এবার জলও বাড়ছে, বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনও বাড়ছে। ফলে চোখের নিমেষে বাড়িঘর, স্কুল তলিয়ে যাচ্ছে। এমনটা আগে হয়নি। বিধায়কের দাবি, প্লাবনে সবমিলিয়ে প্রায় ১ লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।  গবাদি পশু নিয়েও অনেকে বিপাকে। বহু গ্রামের মানুষ এখনও জলবন্দি। অনেকে ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন। সবার অবস্থা খুবই শোচনীয়।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ