Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

মালেগাঁও বিস্ফোরণের রায়দান হবে আজ, ভাগ্য নির্ধারণ সাধ্বী প্রজ্ঞাদের

২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮। মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার মালেগাঁওয়ের সংখ্যালঘু প্রধান ভিকু চক। চেনা ব্যস্ততাকে ছিন্নভিন্ন করে বাইক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা।

মালেগাঁও বিস্ফোরণের রায়দান হবে আজ, ভাগ্য নির্ধারণ সাধ্বী প্রজ্ঞাদের
  • ৩১ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮। মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার মালেগাঁওয়ের সংখ্যালঘু প্রধান ভিকু চক। চেনা ব্যস্ততাকে ছিন্নভিন্ন করে বাইক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। মৃত্যু হয় ৬ জনের। আহত ১০১। মাঝে কেটে গিয়েছে ১৭ বছর। আজ, বৃহস্পতিবার সেই মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলার রায় ঘোষণা। চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল এই মামলার সওয়াল-জবাব শেষ হয়েছে। তারপর রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন বিশেষ বিচারক এ কে লাহোতি। আজ মুম্বইয়ের ওই বিশেষ আদালতে ভাগ্য নির্ধারণ হবে প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞার। অভিযুক্তদের তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রসাদ পুরোহিত, মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রমেশ উপাদ্যায়, সুধাকর চতুর্বেদী, অজয় রাহিরকর ও সুধকর ধর দ্বিবেদীরও। 

Advertisement

আদালত সূত্রে খবর, ২০০৮ সালে বিস্ফোরণের পর প্রথমে স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস)।  ২০০৩ সালে প্রজ্ঞা, পুরোহিত সহ ১৬ জনের নামে চার্জশিট দায়ের হয়।  তদন্তে জানা যায়, বিস্ফোরণের জন্য একটি এলএমএল ফ্রিডম মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হয়েছিল। সেটির ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর বদলে ফেলা হয়েছিল। ফরেন্সিক বিশ্লেষণে গাড়িটির প্রকৃত রেজিস্ট্রেশন নম্বর মেলে। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, গাড়িটি গুজরাতের। এবং প্রজ্ঞা সিং ঠাকুরের। ২০০৮ সালে ২৩ অক্টোবরে প্রাক্তন বিজেপি সাংসদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। এটিএস আদালতে জানায়, পুরোহিত কাশ্মীর থেকে আরডিএক্স কিনে মহারাষ্ট্রে নিজের বাড়িতে সেগুলি লুকিয়ে রেখেছিলেন। দেওলালি আর্মি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বোমা তৈরি করেন সুধাকর। অন্য তিন অভিযুক্ত মোটরসাইকেলটি ঘটনাস্থলে রেখে এসেছিল। সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা তৈরি করতেই সংখ্যালঘু প্রধান ওই স্থানে গাড়িটি রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ২০১১ সালে মামলাটি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যায়। এরপরই এটিএসের তদন্তের একাধিক বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তারা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় বেশ কিছু ধারা বাদ দেয় এনআইএ। ২০১৮ সাল থেকে সওয়াল-জবাব শুরু হয়। সবমিলিয়ে ৩২৩ জন সাক্ষীর তালিকা তৈরি হয়। যদিও এরমধ্যে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৩৯ জন হাজিরার দেননি। ২৮২ জন সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করা হয়। শুনানি শেষ হয় চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল। আজ রায় ঘোষণা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ