মিলান: অভিষেকের আগেই বিসর্জন।
মিলান: অভিষেকের আগেই বিসর্জন।
ইতালির ফুটবলে সাম্প্রতিক ছবিটা এমনই। এমনিতেই টানা তিনবার বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি আজ্জুরিরা। স্বাভাবিকভাবেই সমালোচনা ঘরে-বাইরে। ব্যর্থতার দায় নিয়ে দায়িত্ব ছেড়েছেন জেনারো গাত্তুসো। তারপর শোনা গিয়েছিল, কোচের পদে এগিয়ে পেপ গুয়ার্দিওলা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন তিনি। এরপর প্রাক্তন মিডফিল্ড জেনারেল আন্দ্রে পিরলোর সঙ্গে চুক্তি প্রায় সম্পন্ন হয়েছিল ইতালির ফুটবল ফেডারেশনের। কিন্তু সে গুড়ে বালি। একইসঙ্গে, টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের পদ থেকে ইস্তাফা দিলেন পাওলো মালদিনিও। সবমিলিয়ে বিতর্কে জ্বলছে ইতালির ফুটবল। কিন্তু পিরলোকে কেন দায়িত্ব দেওয়া হল না? জানা গিয়েছে, রাশিয়ান বেটিং সংস্থার সঙ্গে তাঁর বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের জন্যই পিরলোকে কোচের পদে নিয়োগ করা হচ্ছে না। শুধু তাই নয়। ইতালির জাতীয় ওলিম্পিক কমিটির সভাপতি জিওভানি মালাগো এক আলোচনা সভায় বলেন, ‘আন্দ্রের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে বিতর্ক। তাই জাতীয় ফুটবলের দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া উচিত নয়।’ এরপরেই পিরলো সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্য করেন, ‘বেশ কয়েকদিন ধরেই আমি নীরব ছিলাম। ইতালির ফুটবল ফেডারেশনকে সম্মান দিই। কিছুক্ষণ আগে জানতে পারলাম, জাতীয় দলের কোচের পদের দৌড়ে আমি আর নেই। তাই কয়েকটি ব্যাপার অনুরাগীদের জানানো উচিত। সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে কাজ করার সময় রাশিয়ান একটি সংস্থার সঙ্গে আমার চুক্তি হয়। এর সঙ্গে শুধুমাত্র বাণিজ্যিক এবং ক্রীড়া সংক্রান্ত বিষয় জড়িত। কিন্তু ভাবতে পারিনি, এটা নিয়ে বিতর্ক এই পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। আমার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ তোলা হয়েছে যা ভিত্তিহীন। বাস্তবের সঙ্গে বিন্দুমাত্র তার মিল নেই। সবশেষে বলব, আমার উপর আস্থা রাখার জন্য পাওলো মালদিনি ও লিওনার্দোকে ধন্যবাদ।’
পিরলোর পর এবার ইতালি ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট মালদিনির নজর থিয়াগো মোত্তার উপর। দু’জনের মধ্যে একপ্রস্ত কথাও হয়েছে। মোত্তা ইতালির হয়ে ৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। এছাড়া ব্রাজিলের হয়েও মাঠে নামার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আগামী মাসে ৪৪ বছরে পা দেবেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচ থিয়াগো মোত্তা।