নয়াদিল্লি: অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পদ্ধতিতে সিবিএসই-র উত্তরপত্র মূল্যায়নকে কেন্দ্র করে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে এসেছে। ক্ষোভে ফুঁসছে পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকরা। বুধবার এনিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে নিশানা করলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, সিবিএসই-র ফলপ্রকাশে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। আর প্রতিবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে কোনো উত্তর নেই। তাঁর কোনো দায়বদ্ধতা নেই। আর লজ্জাও নেই।
এদিন এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিয়ো বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, ‘সিবিএসই পরীক্ষার ফলাফলে বড়োসড়ো কারচুপি হয়েছে। দেশজুড়ে লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া ও তাঁর অভিভাবকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। আর প্রতিবারের মতো এবারও চুপ নরেন্দ্র মোদি। তাঁর কাছে কোনো উত্তর নেই। কোনো দায়বদ্ধতা নেই।’ তাঁর দাবি, এক্ষেত্রে যে সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তারা ২০১৯ সালে তেলেঙ্গানায় একই ধরনের কাণ্ড ঘটিয়েছে। তখন সংস্থার অন্য নাম ছিল। নাম বদলেছে। কিন্তু কাজকর্মের ধরন বদলায়নি।
লোকসভার বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ‘সবাই আগের ঘটনা জানত। তারপরও এমন একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৮ লক্ষের বেশি পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ এইরকম একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কারও কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। এটা কোনো ভুল নয়। জেনে বুঝে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।’
এরপরই সিবিএসই ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন রেখেছেন রাহুল গান্ধী। তাঁর জিজ্ঞাসা— এমন একটি সংস্থাকে কেন সিবিএসই-র উত্তরপত্র মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল? সিবিএসই কি কিছুই জানত না? সংস্থাটির সঙ্গে মোদি সরকারের কী সম্পর্ক রয়েছে? কংগ্রেস সাংসদের বার্তা, ‘কেলেঙ্কারির নেপথ্যে থাকা অপরাধীদের সামনে আনতে দ্রুত স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি ও সিট গঠন করা হোক।’