


মুম্বই: স্বাধীনতা দিবসে মানুষের পছন্দের খাবারের অধিকারে হস্তক্ষেপ? আগামী ১৫ আগস্ট মহারাষ্ট্রে মাংস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। আর এই নির্দেশিকা ঘিরে তোলপাড় মারাঠা-ভূম। এই ঘটনায় রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাযুতি সরকারের বিরুদ্ধে সরব শিবসেনা (উদ্ধব) আদিত্য থ্যাকারে, মিম সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মতো বিরোধী নেতারা। এবার এই ইস্যুতে বিরোধীদের দাবিতেই সুর মেলালেন উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। শরিক নেতার এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার। এনসিপি (অজিত) নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার বলেছেন, ‘এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা সাধারণত ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় জারি হয়। কিন্তু স্বাধীনতা দিবস, সাধারণতন্ত্র দিবসে এমন নিষেধাজ্ঞা একেবারেই সঠিক নয়।’ তাঁর মতে, মহারাষ্ট্রে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ থাকেন। সকলের ভিন্ন খাদ্যাভ্যাস রয়েছে। তাই এমন নিষেধাজ্ঞা অযৌক্তিক। প্রাথমিকভাবে এই নির্দেশ দিয়েছিল থানের কল্যাণ-ডম্বিভলি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। পরে মালেগাঁও পুরনিগমও একই নির্দেশ দেয়। এর বিরোধিতা করে আদিত্য থ্যাকারে কড়া ভাষায় জানান, ‘স্বাধীনতা দিবসে কে কী খাবেন, তা একেবারেই ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। নবরাত্রিতেও চিংড়ি, মাছ থাকে আমাদের প্রসাদে। এটি আমাদের সংস্কৃতি ও হিন্দুধর্মের অংশ। তাই প্রশাসন মানুষের খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।’ তিনি কল্যাণ-ডম্বিভলি পুরসভার কমিশনারকে বরখাস্তের দাবি জানান। এদিকে ছত্রপতি সম্ভাজীনগর পুরনিগম ১৫ আগস্ট ‘গোবিন্দ উৎসব’ ও ২০ আগস্ট জৈন সম্প্রদায়ের এক উৎসবের জন্য মাংসের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।