নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: কোন্নগরে লরি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগে রঞ্জন যাদব নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। বুধবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিসের দাবি, রঞ্জন একা নয়, তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল। তাদের খোঁজ পেতেই অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জখম ব্যবসায়ী সামসুদ্দিন আনসারিকে মল্লিকবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি। সেখানে তাঁর মস্তিষ্কে অপারেশন করে গুলি বের করা হয়েছে। তবে তাঁর পরিস্থিতি মোটেই স্থিতিশীল নয়।
Advertisement
এদিকে, পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে সামসুদ্দিনের মাথায় গুলি করার পর ধরা পড়লেও নির্বিকার রঞ্জন। এদিন আদালতে যাওয়ার পথে সে গোঁফে তা দিতে দিতে বলে, আমি তৃণমূল কংগ্রেস করি। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব এর পাল্টা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ওই যুবক একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করত। তার সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়াল বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের কর্মসূচির ছবিতে ঠাসা। সামসুদ্দিনের পরিবারের দাবি, দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে একজন অপরাধীর যা সাজা হওয়া উচিত, সেটাই দেওয়া হোক রঞ্জনকে। গ্রেপ্তারের পর পুলিস তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রঞ্জনের বয়ান উদ্ধৃত করে পুলিস জানিয়েছে, মায়ের অপমানের বদলা নিতেই সে সামসুদ্দিন আনসারিকে খুনের চেষ্টা করেছিল। তার বাবা এক সময়ে সামসুদ্দিন সাহেবের ব্যবসার কর্মী ছিলেন। সেই সময় তার মাকে ওই ব্যবসায়ী মারধর করেছিল। সেসব তথ্যের বাস্তবতা খতিয়ে দেখছে পুলিস। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকালে নিজের বাড়ির সামনে আড্ডা মারছিলেন সামসুদ্দিন আনসারি। সেই সময় রঞ্জন যাদব এসে তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।



