


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার ফলে আগামী শনিবার পঞ্চমীর দিন পর্যন্ত রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না-যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূল লাগোয়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র উত্তাল থাকা ও ঝোড়ো হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই কারণে সর্তকতা জারি করা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যেই একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। এটি উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে সরে যাবে। এরপর বৃহস্পতিবার নাগাদ পূর্ব-মধ্য এবং লাগোয় উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। এটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে যাবে এবং শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। শুক্রবার নাগাদ গভীর নিম্নচাপটি দক্ষিণ ওড়িশা-উত্তর অন্ধ্র উপকূল দিয়ে স্থলভূমিতে ঢুকবে।
এই গভীর নিম্নচাপটি পুজোর প্রথম পর্বে দক্ষিণবঙ্গে কতটা প্রভাব পড়বে সেটা নিয়ে আবহাওয়াবিদরা কিছুটা চিন্তিত। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগর উপকূলের ঠিক কোন জায়গা দিয়ে গভীর নিম্নচাপটি স্থলভূমিতে প্রবেশ করবে তার উপর অনেকটা নির্ভর করছে দক্ষিণবঙ্গে এর প্রভাব কতটা পড়বে। ওই জায়গাটি পশ্চিমবঙ্গ উপকূল যত দূরে হবে তত এখানে প্রভাব কমবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। আগামীকাল বুধবার পুজোর দিনগুলির আবহাওয়া কেমন থাকবে তা নিয়ে দ্বিতীয় দফার বিশেষ পূর্বাভাস দিতে পারে আবহাওয়া দপ্তর। আপাতত শনিবার পঞ্চমী ও রবিবার ষষ্ঠীর দিন দক্ষিণবঙ্গে কিছু জায়গার জন্য হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তার আগের দিনগুলিতে এরকমই পূর্বাভাসই রয়েছে। আজ মঙ্গলবার অবশ্য দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রাম জেলার কিছু জায়গায় বজ্রমেঘ থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।