Bartaman Logo
৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কাদা মেখে পুঁড়ো খেয়াঘাটে পারাপার, অসন্তুষ্ট স্থানীয়রা

জরাজীর্ণ দশায় বাদুড়িয়ার পুঁড়ো খেয়াঘাট। বাদুড়িয়া ব্লকে ইছামতীর এই খেয়াঘাট দিয়ে রোজ কয়েক হাজার মানুষ পারাপার করে। তবুও এই ঘাটে নেই কোনো আধুনিক যাত্রী সুরক্ষার ব্যবস্থা

কাদা মেখে পুঁড়ো খেয়াঘাটে পারাপার, অসন্তুষ্ট স্থানীয়রা
  • ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৩
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বসিরহাট: জরাজীর্ণ দশায় বাদুড়িয়ার পুঁড়ো খেয়াঘাট। বাদুড়িয়া ব্লকে ইছামতীর এই খেয়াঘাট দিয়ে রোজ কয়েক হাজার মানুষ পারাপার করে। তবুও এই ঘাটে নেই কোনো আধুনিক যাত্রী সুরক্ষার ব্যবস্থা। নদীর দুই পাড়ে নেই কোনো স্থায়ী কংক্রিট বা লোহার প্ল্যাটফর্ম। একটি নৌকার মাধ্যমে চলে পারাপার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর এই ঘাটেই অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ার ফলে নৌকাডুবি হয়েছিল। সেবার কোনোরকমে প্রাণে বাঁচেন যাত্রীরা। এই বিষয়ে এক যাত্রী স্বপন মণ্ডল বলেন পঞ্চায়েত থেকে একটি বাঁশের পাড়াং করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি এতটাই দুর্বল ছিল যে, একটি জোয়ারও সহ্য করতে পারেনি। সেটি ভেঙে যাওয়ার পরে পঞ্চায়েতের তরফেও আর কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয়নি। ফলে মেদিয়া, কঁকড়াসূতি, কুলিয়া ইত্যাদি এলাকার ছাত্রছাত্রীদের কাদা মেখে স্কুল ও কলেজ যেতে হচ্ছে। নাজেহাল অন্য বাসিন্দারাও।

Advertisement

এলাকার এক শিক্ষক অশোককুমার মণ্ডল বলেন, এই খেয়াঘাটের মূল সমস্যাটি হল এক প্রান্তে নয়াবস্তিয়া মিলনী গ্রাম পঞ্চায়েত, অন্য প্রান্তে বাদুড়িয়া পুরসভা। ফলে প্রশাসনিকভাবে সমন্বয় সাধন করা যাচ্ছে না। এলাকার এক কংগ্রেস নেতা রজব আলি মণ্ডল বলেন, এই ঘাটের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা প্রশাসনকে সব রকমভাবে অনুরোধ করেছি। প্রয়োজনে পঞ্চায়েত ও পুরসভা একসঙ্গে বসুক। আরেক শিক্ষক মলয় সরকার বলেন, এলাকার অগ্রগতির স্বার্থে পুরসভা ও পঞ্চায়েত একযোগে এই জেটিঘাট তৈরি করার উদ্যোগ নিক।
এই বিষয়ে উত্তর ২৪ পরগনার সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, বিষয়টি শুনলাম। পঞ্চায়েত এবং পুরসভার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ