Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

টানা বৃষ্টিতে ধস, দিনভর বন্ধ সিকিমগামী ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক, সচল বিকেলে

ফের লাগাতার বৃষ্টিতে ধস নেমে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত বন্ধ থাকল ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সেভক–কালীঝোরা এলাকায় জাতীয় সড়কে ব্যাপক ধস নামায় ভোগান্তি পোহাতে হয় পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী ও গাড়ি চালকদের।

টানা বৃষ্টিতে ধস, দিনভর বন্ধ সিকিমগামী ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক, সচল বিকেলে
  • ৩১ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ফের লাগাতার বৃষ্টিতে ধস নেমে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত বন্ধ থাকল ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সেভক–কালীঝোরা এলাকায় জাতীয় সড়কে ব্যাপক ধস নামায় ভোগান্তি পোহাতে হয় পর্যটক থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী ও গাড়ি চালকদের। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অবশ্য দ্রুতগতিতে ধস সরিয়ে রাস্তা মেরামতি করে এদিন বিকেলে চালু করেছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ব্যাপক ধস নামায় বন্ধ হয়ে যায় সিকিমগামী প্রধান সড়ক। সেভকের করোনেশন সেতু ও কালীঝোরার মাঝামাঝি পাহাড়ের ঢাল থেকে একের পর এক পাথর গড়িয়ে পড়ায় বন্ধ হয়ে যায় গাড়ি চলাচল। এর জেরে রাত থেকেই আটকে পড়েন শতাধিক পর্যটক ও সাধারণ যাত্রী। ধস নামায় যানবাহন দাঁড়িয়ে পড়ে মাঝরাস্তায়। অন্ধকারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। একাধিক পর্যটক গাড়ি ছেড়ে হেঁটে শিলিগুড়ির দিকে রওনা দেন। তাঁদের বক্তব্য, ধস নামার শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে মনে হচ্ছিল পাহাড় ভেঙে পড়ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ কর্মীদের ঘটনাস্থলে পাঠায়। শনিবার সকাল থেকে ধস সরানোর কাজ শুরু হয়। কিন্তু মাটি ও পাথরের পরিমাণ বেশি থাকায় রাস্তা চালু করতে বিকেল হয়ে যায়। দার্জিলিং জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ধস সরানো পর্যন্ত সিকিমগামী যানবাহনের জন্য বিকল্প রাস্তা খোঁজা হচ্ছে। পর্যটক ও সাধারণ মানুষকে অকারণে ধসপ্রবণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রাক পুজোর সময়ে এই পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তা বাড়ছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের। সিকিম ও দার্জিলিংমুখী প্রায় সব হোটেল, হোমস্টে ইতিমধ্যেই বুকিং হয়ে গিয়েছে। কিন্তু রাস্তা বন্ধ থাকায় বহু পর্যটক ভ্রমণ বাতিল করতে পারেন বলে আশঙ্কা। দ্রুত রাস্তা সচল করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের একাংশ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর পুজো আরও এগিয়ে আসায় এবারে পুজোর সময়েও এমন ঘটনা ঘটবে কি না তা নিয়েও চিন্তায় ব্যবসায়ী মহল। - নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ