


সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: একদিকে ম্যানগ্রোভ রোপণ ও বাঁচানোর প্রচেষ্টা চলছে। চলছে সচেতনতা প্রচার। অন্যদিকে, ম্যানগ্রোভ নিধনও চলছে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে। জ্বালানির নাম করে ম্যানগ্রোভ কাটার অভিযোগ উঠল কিছু অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে। প্রতিদিন তাঁরা শয়ে শয়ে ম্যানগ্রোভ নিধন করছেন। যে কারণে নদীর চরের জঙ্গল প্রায় ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, নামখানার নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঈশ্বরীপুর এলাকায় হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীর তীরে বড়ো জঙ্গলের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন সেই জঙ্গল থেকে ম্যানগ্রোভ কেটে নিয়ে আসা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে ম্যানগ্রোভ গুলি কেটে কাঁধে করে নদী বাঁধে বয়ে নিয়ে আসা হয়। এরপরই সেগুলি বাঁধের চারপাশে বিছিয়ে দেওয়া হয়। শুকনো হয়ে গেলে আবার সেগুলি বান্ডিল করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। কয়েকজন গ্রামবাসীর অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে এই শুকনো কাঠ বিক্রিও করা হয়। এদিকে নদীর চর থেকে ম্যানগ্রোভ কেটে নিয়ে আসা হলে, ওই এলাকা ফাঁকা হয়ে যায়। পরে সেখানে আবার মাছের ভেড়ি তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় গ্রামবাসী রিঙ্কু মণ্ডল বলেন, ‘কিছু অসাধু ব্যক্তি জঙ্গল থেকে ম্যানগ্রোভ কেটে নিয়ে আসে। কেউ কিছু বলে না। এমনকি কোনো নজরদারি নেই। জঙ্গলের প্রচুর গাছ কেটে নিয়ে আসা হয়েছে। মূলত জ্বালানির জন্য এই গাছগুলি কেটে নিয়ে আসা হচ্ছে।’ নামখানা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিষেক দাস বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি। ম্যানগ্রোভ কেটে নেওয়ার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। যদি এরকম কোনো ঘটনা হয়ে থাকে, তাহলে প্রশাসনকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হবে।’ নিজস্ব চিত্র