সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: গত বছর ডিভিসির ছাড়া জলে বন্যার কবলে পড়েছিল রাজ্যের একাধিক জেলা। বাদ যায়নি হাওড়ার আমতা ও উদয়নারায়ণপুর। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন এখানকার কয়েক হাজার কৃষকও। বন্যা কবলিত আমতা পরিদর্শনে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত একজন কৃষকও যেন বাংলা ফসল বিমার সুবিধা থেকে বাদ না যান। সেই মতো বিভিন্ন জেলায়, ব্লকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। বুধবার রাত থেকে ওই তালিকাভুক্ত কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ক্ষতিপূরণের টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। রাজ্যের অন্য এলাকার পাশাপাশি আমতা ২ ব্লকের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অ্যাকাউন্টেও টাকা এসেছে।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে খবর, ব্লকের ১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৯ হাজার ৬৬৪ জন কৃষকের অ্যাকাউন্টে বাংলা ফসল বিমা যোজনার মোট ২১ কোটি ৮০ লক্ষ ৯৬ হাজার ৪৪ টাকা ক্ষতিপূরণ এসেছে। এখানে ভাটোরা, ঘোড়াবেড়িয়া চিৎনান, ঝিকিরা, ঝামটিয়া, অমরাগড়ি, থলিয়া ও বিনোলাকৃষ্ণবাটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। ন্যূনতম এক হাজার টাকা থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাংলা ফসল বিমা যোজনায় ক্ষতিপূরণ পেলেন কৃষকেরা।
কৃষকরা ক্ষতিপূরণ পাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল। অন্যদিকে, বিনোলাকৃষ্ণবাটির কৃষক সমরেশ রায় ১৪ হাজার ৩০১ টাকা, প্রতিভা সাঁধুখা ১৪ হাজার ৪৮০ টাকা ফসল বিমায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে পেয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, বন্যায় চাষে এমন ক্ষতির পর যদি মুখ্যমন্ত্রী আমাদের পাশে না দাঁড়াতেন তাহলে বিরাট সমস্যায় পড়তাম। সেটা থেকে রক্ষা পাওয়া গেল।
কৃষকরা ক্ষতিপূরণ পাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল। অন্যদিকে, বিনোলাকৃষ্ণবাটির কৃষক সমরেশ রায় ১৪ হাজার ৩০১ টাকা, প্রতিভা সাঁধুখা ১৪ হাজার ৪৮০ টাকা ফসল বিমায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে পেয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, বন্যায় চাষে এমন ক্ষতির পর যদি মুখ্যমন্ত্রী আমাদের পাশে না দাঁড়াতেন তাহলে বিরাট সমস্যায় পড়তাম। সেটা থেকে রক্ষা পাওয়া গেল।



