নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভারে একের পর এক দুর্ঘটনা। সঙ্গে চিন্তা বাড়িয়েছে কলকাতা পুরসভার বরো চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষের উপর প্রাণঘাতী হামলার ছক। এরপরেই সিপির নির্দেশে গভীর রাতে (১টা থেকে ৩টে পর্যন্ত) সব থানা এলাকায় নাকা চেকিং শুরু হয়েছে। নাকা তল্লাশি চলার সময় প্রথম রাতেই বেপরোয়া বাইকচালকের ধাক্কায় জখম কর্তব্যরত পুলিস অফিসার। গুরুতর আহত হলেন পশ্চিম বন্দর থানার এক সাব ইনসপেক্টর।
Advertisement
রবিবার রাত দেড়টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। পশ্চিম বন্দর থানা এলাকার গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভারের পশ্চিম দিকে র্যাম্পে নাকা তল্লাশি করছিলেন পুলিস কর্মীরা। চেক পয়েন্টের দায়িত্বে ছিলেন থানার সাব ইনসপেক্টর রাজেশ মোদক। সেই সময়েই তারাতলার দিক থেকে গার্ডেনরিচগামী একটি বাইক তাঁকে ধাক্কা মারে। বাইকচালকের মাথায় ছিল না হেলমেট। রাস্তায় ছিটকে পড়েন ওই পুলিস অফিসার। ঘটনাস্থল থেকে বাইক নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ওই বেপরোয়া যুবক। তাঁকে পাকড়াও করেন কর্তব্যরত এক কনস্টেবল। ধৃতের নাম অর্জুন সিং (১৮)। গার্ডেনরিচ এলাকার শ্যামলাল লেনের বাসিন্দা তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম বন্দর থানার পুলিস।
রাতের শহরে বাইকচালকদের দৌরাত্ম্যের হট-স্পট এই গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভার। মাস চারেক আগে জোড়া দুর্ঘটনা ঘটে সেখানে। একজনের মৃত্যু হয়। দুই বাইকচালক জখম হন। কারও মাথাতেই হেলমেট ছিল না। তারাতলা থেকে এই ফ্লাইওভার ধরে বহু ছোট গাড়ি বন্দর এলাকা ঘুরে পার্শ্ববর্তী জেলায় চলে যায়। সেই সব গাড়ি ও বাইকদের উপর নজরদারির স্বার্থে রবিবার রাত ১টা থেকে ফ্লাইওভারের র্যাম্পের মুখে চলছিল নাকা তল্লাশি। পুলিস জানিয়েছে, বিনা হেলমেটে গতির ঝড় তুলে ফ্লাইওভার থেকে নামছিল বাইকটি। তাঁকে আটকাতে যান পুলিস অফিসার। তখনই দুর্ঘটনাটি ঘটে। জখম অবস্থায় উদ্ধার করে পশ্চিম বন্দর থানার ওই সাব ইনসপেক্টরকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর মাথা, কান ও হাতে চোট লেগেছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় অফিসারকে।
পুলিসের জেরায় ধৃত অর্জুন জানিয়েছেন, তিনি তারাতলা এলাকায় এক বন্ধুর বাড়িতে পার্টিতে গিয়েছিলেন। গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভারে কোনও পুলিস থাকে না বলে হেলমেট পড়েননি তিনি। ধৃতের হেলমেট না পরার অভ্যাস নতুন নয়। তাঁর বাইকের কেস ডিটেলস থেকে পুলিস জানতে পেরেছে এর আগে আর ছ’বার বিনা হেলমেটের কেস ‘পেন্ডিং’ রয়েছে। সবই স্থানীয় এলাকাতেই। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ফের গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভারে বাইকচালকদের বেপরোয়াভাব স্পষ্ট।
রাতের শহরে বাইকচালকদের দৌরাত্ম্যের হট-স্পট এই গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভার। মাস চারেক আগে জোড়া দুর্ঘটনা ঘটে সেখানে। একজনের মৃত্যু হয়। দুই বাইকচালক জখম হন। কারও মাথাতেই হেলমেট ছিল না। তারাতলা থেকে এই ফ্লাইওভার ধরে বহু ছোট গাড়ি বন্দর এলাকা ঘুরে পার্শ্ববর্তী জেলায় চলে যায়। সেই সব গাড়ি ও বাইকদের উপর নজরদারির স্বার্থে রবিবার রাত ১টা থেকে ফ্লাইওভারের র্যাম্পের মুখে চলছিল নাকা তল্লাশি। পুলিস জানিয়েছে, বিনা হেলমেটে গতির ঝড় তুলে ফ্লাইওভার থেকে নামছিল বাইকটি। তাঁকে আটকাতে যান পুলিস অফিসার। তখনই দুর্ঘটনাটি ঘটে। জখম অবস্থায় উদ্ধার করে পশ্চিম বন্দর থানার ওই সাব ইনসপেক্টরকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর মাথা, কান ও হাতে চোট লেগেছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় অফিসারকে।
পুলিসের জেরায় ধৃত অর্জুন জানিয়েছেন, তিনি তারাতলা এলাকায় এক বন্ধুর বাড়িতে পার্টিতে গিয়েছিলেন। গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভারে কোনও পুলিস থাকে না বলে হেলমেট পড়েননি তিনি। ধৃতের হেলমেট না পরার অভ্যাস নতুন নয়। তাঁর বাইকের কেস ডিটেলস থেকে পুলিস জানতে পেরেছে এর আগে আর ছ’বার বিনা হেলমেটের কেস ‘পেন্ডিং’ রয়েছে। সবই স্থানীয় এলাকাতেই। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ফের গার্ডেনরিচ ফ্লাইওভারে বাইকচালকদের বেপরোয়াভাব স্পষ্ট।



