নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সুইচ টিপলেই ছুটছে ছোট রোবট গাড়ি। জেব্রা ক্রসিংয়ের সাদা রং দেখলে নিজে থেকেই থামছে। তারপর কালো রঙের ফাঁকা জায়গা দেখে আবার ছুটছে। সেন্সরের সাহায্যে চিনে নিচ্ছে জেব্রার সাদা। এর প্রোগ্রামিং এমনই, সামনে কোনও বাধা এলেই যাচ্ছে থমকে। এ সব দেখে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের প্রশ্নের শেষ নেই। কেউ জিজ্ঞেস করছে, গাড়ি কীভাবে বুঝতে পারছে যে, সামনে সাদা রং চলে এসেছে? কারও প্রশ্ন, বাড়ি গিয়ে এমন গাড়ি তৈরি করতে পারব তো? শিক্ষকরা সমস্ত প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন যত্ন করে। তারপর বানাতে বসল ছাত্র-ছাত্রীরা।
Advertisement
এই ধরনের স্বয়ংক্রিয় গাড়ি বলতেই মনে আসে একটা নাম, ‘টেসলা’। কেমন ভাবে চলে সেই গাড়ি? কী তার প্রযুক্তি? কেমনভাবে চালককে চিন্তামুক্ত রাখে ওয়ান্ডার কার। বালিগঞ্জের বিড়লা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড টেকনোলজিক্যাল মিউজিয়ামে (বিআইটিএম) স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নিয়েই ছিল কর্মশালা। নাম, ‘সেলফ ড্রাইভিং ইনোভেশন: দ্য ফিউচার অব রোবটিক্স’। সেই কর্মশালায় হাতেকলমে মিনিয়েচার মডেল বানাতে শিখল পড়ুয়ারা। তারপর শিক্ষকদের সাহায্যে গাড়ি বানিয়েও ফেলল। অভিভাবকদের বক্তব্য, ‘কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ল ‘টেসলা’কে।’
শনি ও রবি ৪০ পড়ুয়াকে নিয়ে হয়েছিল কর্মশালাটি। পড়ুয়াদের নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কৌতূহলের শেষ ছিল না। বিজ্ঞান পড়ে, হাতেকলমে শিখে কাজে নামল। ব্যাটারির তার গুঁজে নিজেরাই চালাল মোটর। তারপর আইআর সেন্সর, গিয়ার মোটর, মোটর ড্রাইভার, বিশেষ মাদার বোর্ড ও চাকাজুড়ে চলতে থাকল তাদের ছোট গাড়ি। মূলত চারটি বিষয়ে ভাগ করা হয়েছিল কর্মশালাকে। ১, রোবটিক্সের ধারণা, ২, সাধারণ ও স্বয়ংক্রিয় গাড়ির মধ্যে পার্থক্য, ৩, সেন্সর প্রোগ্রামিং নিয়ে প্রাথমিক ধারণা, ৪, প্রোজেক্ট ডিজাইন।
মন দিয়ে কাজ করছিল হরিয়ানা বিদ্যামন্দিরের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অনুরাগ দত্ত। সে বলল, ‘আমার রোবট তৈরি করতেই ভালো লাগে। এখানে শিখে এগুলো বাড়িতে তৈরি করব।’ অনুরাগের পাশে বসে ছিল দমদমের সেন্ট মেরি অরফ্যানেজ অ্যান্ড ডে স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শুভায়ন বারুই। তার কথায়, ‘বাড়িতে ল্যাব তৈরি করেছি। সেখানে বসে আমি এগুলোই করি।’ প্রথম দিন খুঁটিনাটি শিখে নেওয়ার পর রবিবার ক্লাস ঘরে বসে যখন সুইচ টিপলেই গাড়ি এগচ্ছে, তখন আর আনন্দের শেষ নেই। কেউ গর্বের হাসি হাসল, কেউ হাততালি দিল খুশিতে। বিআইটিএমের কিউরেটর ডঃ রাকেশ মজুমদার বলেন, ‘আমরা এখানে একটা প্রাথমিক ধারণা দিয়ে দিচ্ছি। কেউ যদি বাড়ি ফিরে বুঝতে নাও পারে, তাহলে তারা ফের আমাদের জিজ্ঞেস করে নেয়। তৈরি গাড়িতে মোটর, সেন্সর, মাদার বোর্ড সহ চেসিস, চাকা সবই রয়েছে। মোটামুটি এই সবই খোলা বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। বাড়িতে যে কেউ হাজার টাকার মধ্যে একটি মিনিয়েচার গাড়ি তৈরি করে নিতে পারবে।’ নিজস্ব চিত্র
শনি ও রবি ৪০ পড়ুয়াকে নিয়ে হয়েছিল কর্মশালাটি। পড়ুয়াদের নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কৌতূহলের শেষ ছিল না। বিজ্ঞান পড়ে, হাতেকলমে শিখে কাজে নামল। ব্যাটারির তার গুঁজে নিজেরাই চালাল মোটর। তারপর আইআর সেন্সর, গিয়ার মোটর, মোটর ড্রাইভার, বিশেষ মাদার বোর্ড ও চাকাজুড়ে চলতে থাকল তাদের ছোট গাড়ি। মূলত চারটি বিষয়ে ভাগ করা হয়েছিল কর্মশালাকে। ১, রোবটিক্সের ধারণা, ২, সাধারণ ও স্বয়ংক্রিয় গাড়ির মধ্যে পার্থক্য, ৩, সেন্সর প্রোগ্রামিং নিয়ে প্রাথমিক ধারণা, ৪, প্রোজেক্ট ডিজাইন।
মন দিয়ে কাজ করছিল হরিয়ানা বিদ্যামন্দিরের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অনুরাগ দত্ত। সে বলল, ‘আমার রোবট তৈরি করতেই ভালো লাগে। এখানে শিখে এগুলো বাড়িতে তৈরি করব।’ অনুরাগের পাশে বসে ছিল দমদমের সেন্ট মেরি অরফ্যানেজ অ্যান্ড ডে স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শুভায়ন বারুই। তার কথায়, ‘বাড়িতে ল্যাব তৈরি করেছি। সেখানে বসে আমি এগুলোই করি।’ প্রথম দিন খুঁটিনাটি শিখে নেওয়ার পর রবিবার ক্লাস ঘরে বসে যখন সুইচ টিপলেই গাড়ি এগচ্ছে, তখন আর আনন্দের শেষ নেই। কেউ গর্বের হাসি হাসল, কেউ হাততালি দিল খুশিতে। বিআইটিএমের কিউরেটর ডঃ রাকেশ মজুমদার বলেন, ‘আমরা এখানে একটা প্রাথমিক ধারণা দিয়ে দিচ্ছি। কেউ যদি বাড়ি ফিরে বুঝতে নাও পারে, তাহলে তারা ফের আমাদের জিজ্ঞেস করে নেয়। তৈরি গাড়িতে মোটর, সেন্সর, মাদার বোর্ড সহ চেসিস, চাকা সবই রয়েছে। মোটামুটি এই সবই খোলা বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। বাড়িতে যে কেউ হাজার টাকার মধ্যে একটি মিনিয়েচার গাড়ি তৈরি করে নিতে পারবে।’ নিজস্ব চিত্র



