সংবাদদাতা, বনগাঁ: এক বধূকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিল প্রতিবেশী যুবক। তাতে তিনি রাজি হননি। তার জেরে ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে ওই বধূ ও তাঁর স্বামীকে কোপাল ওই যুবক। এমনকী তাকে এই কাজে সঙ্গ দেওয়ার অভিযোগ উঠল যুবকের স্ত্রী এবং মায়ের বিরুদ্ধেও। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে বাগদা থানার মেহেরানি গ্রামে। পুলিস অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম রশিদা মন্ডল।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বাগদার মেহেরানি গ্রামের বাসিন্দা ওই বধূকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছিল ওই গ্রামেরই বাসিন্দা আব্বাস মন্ডল। তাঁকে কুপ্রস্তাবও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু তিনি তাতে রাজি হননি। সম্প্রতি বিষয়টি জানতে পারেন আব্বাস মণ্ডলের স্ত্রী আরিফা। এই নিয়ে দুই পরিবারের ঝগড়া বাঁধে। মঙ্গলবার সকালে আরিফা ওই বধূর বাড়িতে এসে তাঁকে গালাগালি করে। বেশ কিছুক্ষণ ঝামেলা হয় তাঁদের মধ্যে। তখন বধূর স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। দুপুরে বাড়িতে এসে ঘটনার কথা জানতে পারেন তিনি। এরপর তিনি আব্বাসের বাড়িতে ধারালো বঁটি নিয়ে চড়াও হন বলে অভিযোগ। তখন আব্বাসের স্ত্রীও ঘর থেকে ধারালো হাঁসুয়া নিয়ে তাঁর উপর চড়াও হয়। আব্বাস ও তাঁর স্ত্রী আরিফা এবং মা রশিদা মন্ডল মিলে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে বধূর স্বামীকে। তাঁর হাতে গুরুতর আঘাত লাগে। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে জখম হন স্ত্রীও। তাঁর মাথায় একাধিক সেলাই পড়েছে। স্বামীকে বনগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এরপর ওই বধূর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস রশিদাকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক আব্বাস ও তাঁর স্ত্রী আরিফা। ওই বধূ বলেন, আব্বাস প্রায়ই আমাকে কু প্রস্তাব দিত। আমি রাজি না হওয়ায় রাস্তায় গালাগালি দিত। আজ দু’জনে মিলে আমার স্বামীকে কুপিয়েছে। আমারও মাথায় কেোপ দেয়। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছে আক্রান্ত বধূর পরিবার।
এরপর ওই বধূর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস রশিদাকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক আব্বাস ও তাঁর স্ত্রী আরিফা। ওই বধূ বলেন, আব্বাস প্রায়ই আমাকে কু প্রস্তাব দিত। আমি রাজি না হওয়ায় রাস্তায় গালাগালি দিত। আজ দু’জনে মিলে আমার স্বামীকে কুপিয়েছে। আমারও মাথায় কেোপ দেয়। অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছে আক্রান্ত বধূর পরিবার।



