নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইতিমধ্যে কলকাতার বিভিন্ন হোটেল, রেস্তরাঁ, খাবারের দোকান এবং মিষ্টির দোকান থেকে তৈরি করা খাবার ও খাবারের কাঁচামাল সংগ্রহ করেছে পুরসভার ফুড সেফটি টিম। এমন ১৬১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে গত এক সপ্তাহের অভিযানে। যার ল্যাব টেস্ট হবে কলকাতা পুরসভার আধুনিক ফুড টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে। কিন্তু শুধুমাত্র কলকাতা পুর এলাকা নয়। সূত্রের খবর, রাজ্যের ১৯টি জেলার খাদ্য সুরক্ষা অভিযানে যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, তারও পরীক্ষার ‘ভার’ পড়েছে কলকাতা পুরসভার ঘাড়ে। অল্প সংখ্যক কর্মী নিয়ে সেই বিপুল সংখ্যক নমুনা টেস্টিং কতদিনে করা যাবে, এখন সেটাই প্রশ্ন। হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, রাজ্যের মোট ১৯টি জেলার ছশোর বেশি খাবার এবং মশলার নমুনা এসেছে কলকাতায়। যেগুলি টেস্টিং করার জন্য রয়েছেন মাত্র ১২ জন ল্যাবকর্মী। আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের আধুনিক ফুড টেস্টিং ল্যাব কলকাতা পুরসভা ছাড়া সরকারিভাবে রাজ্যে হাতে গোনা। একমাত্র শিলিগুড়িতে একটি এমন ল্যাব রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই কলকাতা সহ শহরতলি এবং দক্ষিণবঙ্গের বহু জেলার নমুনা পরীক্ষার দায়িত্ব কলকাতার ঘাড়ে পড়েছে। পুর কর্তৃপক্ষের সংযোজন, এত অল্প সংখ্যক কর্মী নিয়ে কীভাবে এই বিপুল নমুনা দ্রুত পরীক্ষা করা সম্ভব! তার উপর চলছে রেগুলার ভিজিট। আবার পুজোর মুখে অভিযান হবে। আধুনিক ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরিতে সব রকমের টেস্টিং করা যায় না। পরবর্তী বিভিন্ন ধাপের পরীক্ষার জন্য খাবারের নমুনা ল্যাবে নিয়ে আসতেই হয়। এক স্বাস্থ্যকর্তা বলেন, শুধুমাত্র কলকাতা পুর এলাকা থেকে যে নমুনাগুলি মিলেছে, সেগুলি টেস্টিং করতেই এক থেকে দেড় সপ্তাহ সময় লাগবে। এবার এতগুলি জেলার এই বিপুল নমুনা টেস্ট কত দিনে হবে তা মোটামুটি অনুমেয়।