নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১৫ নম্বর মির্জা গালিব স্ট্রিট। ঠিকানা একটাই। প্রবেশপথও। কিন্তু সেখানে শুধু অভিশপ্ত ‘শিখা ইন’ নয়, রয়েছে মোট ১৫টি গেস্টহাউস বা হোটেল! কোনোটির নাম ‘মরিয়ম গেস্ট হাউস’, তো কোনোটির পরিচয় ‘হোটেল তোইবা’। শহরের বুকে কোনো নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করেই রমরমিয়ে চলছিল পাঁচতলা জতুগৃহটি। মঙ্গলবার গভীর রাতে সেই বাড়িতেই আগুনের গ্রাসে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। তার জেরে শহরে থাকা এধরনের যাবতীয় হোটেল, গেস্ট হাউস এখন প্রশাসনের স্ক্যানারে। বিভিন্ন ‘অ্যাসেম্বলি’ বিল্ডিং, অর্থাৎ যেখানে হোটেল, গেস্ট হাউস, রেস্তরাঁ-পানশালা, অফিসের মতো বাণিজ্যিক কার্যকলাপের পাশাপাশি আবাসনও রয়েছে, সেগুলি অডিটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। নিয়মবর্হিভূতভাবে চলা যে-কোনো ব্যবসা বন্ধের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। প্রশাসক তথা পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডেও জানিয়েছেন, বিভিন্ন বিল্ডিংগুলি ঘুরে ফায়ার সেফটি-সিকিওরিটির ক্ষেত্রে কী কী গলদ রয়েছে, কোথায় কোথায় বেআইনি নির্মাণ রয়েছে, সবটা খতিয়ে দেখা হবে। ১৬টি বরোভিত্তিক পৃথক যৌথ টিম নামানো হয়েছে। সেই টিমে পুরসভার বিল্ডিং, লাইসেন্স বিভাগের সঙ্গে পুলিশ, দমকল, কেএমডিএ, সিইএসসির প্রতিনিধিরা রয়েছেন। আগামী ২৫ আগস্টের মধ্যে তাঁদের প্রাথমিক রিপোর্ট জমা করতে বলা হয়েছে। বেনিয়ম ধরা পড়লেই সব বন্ধ করে দেওয়া হবে।



