নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ ও উলুবেড়িয়া: কলকাতা থেকে কুলপি, উলুবেড়িয়া থেকে রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তে ধুমধাম করে শুরু হয়ে গেল রাস উৎসব। বহু মানুষ ভক্ত আর ভগবানের মিলন উৎসবে মেতে আনন্দে বিভোর।
Advertisement
উত্তর কলকাতার কুমোরটুলিতে রাস হয় ধুমধাম করে। রবীন্দ্র সরণির রাধা মদনমোহন জিউয়ের ঠাকুরবাড়িতে শুক্রবার সন্ধ্যায় মূল গর্ভমন্দির থেকে মদনমোহনকে (শ্রী কৃষ্ণ) শোভাযাত্রা করে নিয়ে আসা হয় গোকুল মিত্র লেনের রাসমঞ্চে। সেখানে হয় পুজো অর্চনা। রাতে ফের মদনমোহনকে মূল মন্দিরে নিয়ে আসা হয়। আজ, শনিবার সন্ধ্যায় নানা ধরনের মিঠাই ভোগ হিসেবে নিবেদন করা হবে ঠাকুরকে। সোমবার সকালে মূল মন্দির থেকে তাঁকে ফের নিয়ে আসা হবে রাসমঞ্চে। এরপর গোষ্ঠ মাধ্যমে উৎসবের সমাপন হবে। এই উপলক্ষ্যে শ্রীকৃষ্ণের জীবনকাহিনি নানা মডেলের মাধ্যমে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। মদনমোহনের দু’টি মন্দির ফুল-মালা দিয়ে ও আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলা হয়।
অন্যদিকে রাস উৎসব নিয়ে বিশেষ আবেগ জড়িয়ে কুলপির সঙ্গে। বাংলা ১১২৭ সালে কুলপির করঞ্জলিতে তৎকালীন জমিদার ভগীরথ ঘোষ রাস উৎসবের সূচনা করেছিলেন। ৩০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সে রাস আজও মহাসমারোহে হয় জমিদার বাড়ির মন্দিরে। কুলপিতে রাসের সূচনালগ্নে করঞ্জলি এলাকায় অল্প সংখ্যক মানুষ বসবাস করতেন। চোর-ডাকাতের প্রচুর উৎপাত ছিল। জমিদার চিন্তিত ছিলেন। এক রাতে তিনি শ্যামসুন্দর ও রাধারানিকে স্বপ্নে দেখেন। স্বপ্নাদেশ দেন, বাড়ির নাটমন্দিরে শ্যামসুন্দর ও রাধারানিকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো করলে ডাকাতদের অত্যাচার কমবে। এরপর জমিদার মূর্তি স্থাপন করে রাস উৎসবের আয়োজন করলেন। সেই রাস আজ জনপ্রিয় উৎসব হয়ে উঠেছে। তা তিনদিন ধরে চলে। জমিদারবাড়ির সামনে বসে মেলা। ঘোষবাড়ির ছোট বৌমা শ্রাবণী ঘোষ বলেন, ‘রাস পূর্ণিমার রাতে নাটমন্দির থেকে নৃত্য সহকারে মশাল জ্বালিয়ে শ্যামসুন্দর ও রাধারানিদেবীর মূর্তি বাড়ির আটচালা মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়। কুল পুরোহিত প্রতিদিন পুজো করেন। কেবলমাত্র রাসে আটচালা মন্দিরে দেবদেবীকে নিয়ে যাওয়া হয়। এই পরিবারের দশম পুরুষ অপূর্বকুমার ঘোষ বলেন, ‘আটচালা মন্দিরে তিনদিন ধরে তিন রূপে শ্যামসুন্দর ও রাধারানির পুজো হয়। প্রথম দিন ব্রজবেশ, দ্বিতীয় দিন রাখালবেশ ও তৃতীয় দিনে রাজবেশে পুজো হয়। এরপর ফের নাটমন্দিরে নিয়ে চলে যাওয়া হয় দেবতাকে।
কুলপির পর উলুবেড়িয়া। এখানে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ির রাস উৎসব খুব জনপ্রিয়। কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে প্রায় একমাস ধরে চলে রাস মেলা। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। এখন রাসমঞ্চ সেজে উঠেছে। পূর্নিমায় পুজো। তবে উৎসবের সূচনা হতে কয়েক দিন বাকি আছে। ২৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের সূচনা হবে। চলবে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মেলায় ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়ে বসেন। পাওয়া যায় নানা ধরনের জিনিসপত্র। মানুষের নিরাপত্তায় কালীবাড়ি কমিটি একাধিক সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
অন্যদিকে রাস উৎসব নিয়ে বিশেষ আবেগ জড়িয়ে কুলপির সঙ্গে। বাংলা ১১২৭ সালে কুলপির করঞ্জলিতে তৎকালীন জমিদার ভগীরথ ঘোষ রাস উৎসবের সূচনা করেছিলেন। ৩০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সে রাস আজও মহাসমারোহে হয় জমিদার বাড়ির মন্দিরে। কুলপিতে রাসের সূচনালগ্নে করঞ্জলি এলাকায় অল্প সংখ্যক মানুষ বসবাস করতেন। চোর-ডাকাতের প্রচুর উৎপাত ছিল। জমিদার চিন্তিত ছিলেন। এক রাতে তিনি শ্যামসুন্দর ও রাধারানিকে স্বপ্নে দেখেন। স্বপ্নাদেশ দেন, বাড়ির নাটমন্দিরে শ্যামসুন্দর ও রাধারানিকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো করলে ডাকাতদের অত্যাচার কমবে। এরপর জমিদার মূর্তি স্থাপন করে রাস উৎসবের আয়োজন করলেন। সেই রাস আজ জনপ্রিয় উৎসব হয়ে উঠেছে। তা তিনদিন ধরে চলে। জমিদারবাড়ির সামনে বসে মেলা। ঘোষবাড়ির ছোট বৌমা শ্রাবণী ঘোষ বলেন, ‘রাস পূর্ণিমার রাতে নাটমন্দির থেকে নৃত্য সহকারে মশাল জ্বালিয়ে শ্যামসুন্দর ও রাধারানিদেবীর মূর্তি বাড়ির আটচালা মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়। কুল পুরোহিত প্রতিদিন পুজো করেন। কেবলমাত্র রাসে আটচালা মন্দিরে দেবদেবীকে নিয়ে যাওয়া হয়। এই পরিবারের দশম পুরুষ অপূর্বকুমার ঘোষ বলেন, ‘আটচালা মন্দিরে তিনদিন ধরে তিন রূপে শ্যামসুন্দর ও রাধারানির পুজো হয়। প্রথম দিন ব্রজবেশ, দ্বিতীয় দিন রাখালবেশ ও তৃতীয় দিনে রাজবেশে পুজো হয়। এরপর ফের নাটমন্দিরে নিয়ে চলে যাওয়া হয় দেবতাকে।
কুলপির পর উলুবেড়িয়া। এখানে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ির রাস উৎসব খুব জনপ্রিয়। কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে প্রায় একমাস ধরে চলে রাস মেলা। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। এখন রাসমঞ্চ সেজে উঠেছে। পূর্নিমায় পুজো। তবে উৎসবের সূচনা হতে কয়েক দিন বাকি আছে। ২৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের সূচনা হবে। চলবে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মেলায় ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়ে বসেন। পাওয়া যায় নানা ধরনের জিনিসপত্র। মানুষের নিরাপত্তায় কালীবাড়ি কমিটি একাধিক সর্তকতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।



