সংবাদদাতা, মানকর: মঙ্গলবার মকর সংক্রান্তির দিন কাঁকসার মাধবমাঠ এলাকায় জমে উঠল চপ-মুড়ির মেলা। মাঠে বসেই পুরো গ্রাম খেল চপ-মুড়ি। কাঁকসা ছাড়াও আউশগ্রামের বহু মানুষ ভিড় জমায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক প্রায় ৩০০ বছর আগে গৈধারা মায়ের পুজোর প্রচলন হয়। মনসাদেবী এখানে এই নামে প্রসিদ্ধ। এখানের বিশেষত্ব হল মন্দিরে পুজোর জন্য কোনও পুরোহিত নেই। ভক্তরা সরাসরি মায়ের কাছে পুজো দিতে পারেন। এছাড়া এলাকার মেটে সম্প্রদায়ের মানুষরা এই পুজোয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এক সময় ফাঁকা মাঠের মধ্যে এই পুজো হতো। তবে এবারে মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে। মন্দির উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নেপাল ঘড়ুই, কাঁকসা ও ত্রিলক চন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের সদস্যরা।
Advertisement
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কথিত আছে, মন্দির সংলগ্ন জলাশয়ে ডুব দেওয়ার পর নিঃসন্তান দম্পতি পুকুরে হাতে যা পেতেন তা নিয়ে দেবীর কাছে মানত করতে হয়। মানত পূরণ হলে পুনরায় জলাশয় থেকে পাওয়া বস্তু জলে ভাসিয়ে দিতে হয়। আজও সেই প্রথা পালন করা হয়। মাধবমাঠে রয়েছে দেবী গৈধারার প্রাচীন মন্দির। সেখান থেকে মকর সংক্রান্তির দিন তিনি এখানে আসেন। পুজো শেষে আবার মাধবমাঠের নিজস্ব মন্দিরে ফিরে যান।
স্থানীয় বাসিন্দা স্বপনকুমার দাস বলেন, সারা বছরে এই একদিনই পুজো হয় মন্দিরে। রাতে মন্দিরে কেউ থাকে না। কাঁকসার দোমড়ার বাসিন্দা বৈশাখী ঘোষ বলেন, মকর সংক্রান্তির দিন মন্দিরে এসে প্রথমে পুকুরে স্নান করি। তারপর ভক্তরা মন্দিরে পুজোর জন্য যান। অনেকেই মাটির তৈরি বিভিন্ন আকারের হাতি, ঘোড়া দেবীকে উৎসর্গ করেন। মন্দিরে পুরোহিত না থাকায় নিজেরাই পুজো দেন। পুজো শেষে মুড়ি খাবার প্রচলন রয়েছে। আমরা প্রতি বছর বাড়ি থেকে চপ তৈরি করে নিয়ে আসি। তারপর এখানে মাঠে বসে বাড়ির সকলে মিলে মুড়ি খাই। অনেকেই শুধু মুড়ি নিয়ে এসে এখান থেকে চপ কেনেন। নিয়ম আছে এখানে এলে মুড়ি খেতে হয়। ভক্তদের বিশ্বাস মন্দির সংলগ্ন এই জলাশয় দৈবভাবে উৎপত্তি হয়েছে। আগে জলাশয়ের চারদিকে টুসু গান হতো। সেই সময় টুসুগানের প্রতিযোগিতাও হতো। তবে এখন আর তা হয় না। স্থানীয় গৃহবধূ ক্ষমা ধর বলেন, প্রাচীন এই মেলার জন্য সারা বছর আমরা তাকিয়ে থাকি। লোকমুখে মেলাটি চপ মুড়ি মেলা নামে পরিচিত লাভ করেছে। দেবীর জন্য মন্দির নির্মিত হলেও এদিন বিধায়ককে কাছে পেয়ে এলাকার বাসিন্দারা ভক্তদের জন্য সাবমার্সিবল বসানোর দাবি করেন। পাশাপাশি মন্দিরের আলোর দাবি ও মেলা যাতে কয়েক ঘণ্টার না হয়ে দু’-তিন দিন ধরে চলে তার ব্যবস্থা করারও অনুরোধ করা হয়। বিধায়ক বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা স্বপনকুমার দাস বলেন, সারা বছরে এই একদিনই পুজো হয় মন্দিরে। রাতে মন্দিরে কেউ থাকে না। কাঁকসার দোমড়ার বাসিন্দা বৈশাখী ঘোষ বলেন, মকর সংক্রান্তির দিন মন্দিরে এসে প্রথমে পুকুরে স্নান করি। তারপর ভক্তরা মন্দিরে পুজোর জন্য যান। অনেকেই মাটির তৈরি বিভিন্ন আকারের হাতি, ঘোড়া দেবীকে উৎসর্গ করেন। মন্দিরে পুরোহিত না থাকায় নিজেরাই পুজো দেন। পুজো শেষে মুড়ি খাবার প্রচলন রয়েছে। আমরা প্রতি বছর বাড়ি থেকে চপ তৈরি করে নিয়ে আসি। তারপর এখানে মাঠে বসে বাড়ির সকলে মিলে মুড়ি খাই। অনেকেই শুধু মুড়ি নিয়ে এসে এখান থেকে চপ কেনেন। নিয়ম আছে এখানে এলে মুড়ি খেতে হয়। ভক্তদের বিশ্বাস মন্দির সংলগ্ন এই জলাশয় দৈবভাবে উৎপত্তি হয়েছে। আগে জলাশয়ের চারদিকে টুসু গান হতো। সেই সময় টুসুগানের প্রতিযোগিতাও হতো। তবে এখন আর তা হয় না। স্থানীয় গৃহবধূ ক্ষমা ধর বলেন, প্রাচীন এই মেলার জন্য সারা বছর আমরা তাকিয়ে থাকি। লোকমুখে মেলাটি চপ মুড়ি মেলা নামে পরিচিত লাভ করেছে। দেবীর জন্য মন্দির নির্মিত হলেও এদিন বিধায়ককে কাছে পেয়ে এলাকার বাসিন্দারা ভক্তদের জন্য সাবমার্সিবল বসানোর দাবি করেন। পাশাপাশি মন্দিরের আলোর দাবি ও মেলা যাতে কয়েক ঘণ্টার না হয়ে দু’-তিন দিন ধরে চলে তার ব্যবস্থা করারও অনুরোধ করা হয়। বিধায়ক বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।



