Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

খড়দহে নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি, ২ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ নগরোন্নয়ন দপ্তরের

খড়দহে নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি, ২ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ নগরোন্নয়ন দপ্তরের
  • ৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: বেহাল নিকাশি ব্যবস্থার কারণে ফি-বছর বর্ষায় ভুগতে হয় খড়দহের বিস্তীর্ণ অংশের বাসিন্দাদের। সামান্য বর্ষাতেই রাস্তাঘাট উপচে পড়ে জমা জলে। তাই এবার খড়দহের নিকাশি ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করল রাজ্য সরকার। নগরোন্নয়ন দপ্তর এই কাজের জন্য কেএমডিএ-কে প্রায় ২ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে। পুরসভার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই কাজ শেষ হলে শহরের ছ’টি ওয়ার্ডে জল জমার দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দহ শহর পার্শ্ববর্তী পানিহাটির তুলনায় কিছুটা উঁচু হওয়ায় জল জমার সমস্যাও তুলনামূলক কম। কিন্তু এখানকার নিকাশি ব্যবস্থা অনেক পুরনো। গত কয়েক বছরে এলাকায় একের পর এক বহুতল আবাসন মাথা তুলেছে। প্রাচীন আমলের নিকাশিনালা এই বিপুল পরিমাণ জল বের করার জন্য পর্যাপ্ত নয়। তাছাড়া, বহু জায়গায় নিকাশি ভেঙে গিয়েছে। সঠিকভাবে পরিষ্কার না হওয়ায় ময়লা আবর্জনা জমে জায়গায় জায়গায় তা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। 
খড়দহ পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ক্যানাল পাড় লাগোয়া পূর্বাচল-১ ও ২, নন্দনকানন সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় জল জমার সমস্যা রয়েছে। একইভাবে ২১ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডেও সমস্যা রয়েছে। গ্রামীণ এলাকা লাগোয়া বেশ কিছু অঞ্চলে ভরা বর্ষায় জল জমে যায়। বহু বাড়িতে নর্দমার জল উঠে তীব্র ভোগান্তি হয়। ডেঙ্গু সহ নানা সংক্রামক রোগের বাড়বাড়ন্ত দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে পুরসভার তরফে নতুন করে নিকাশি তৈরির আবেদন করা হয়েছিল। সম্প্রতি নগরোন্নয়ন দপ্তর শহরের ৭, ১১, ১২, ২০, ২১ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে সেই কাজের জন্য ২ কোটি ২৬ লক্ষ ৭ হাজার ৫৬৪ টাকা অনুমোদন করেছে। এই টাকায় শরৎ বোস রোড, গভর্নমেন্ট কলোনি, কল্যাণনগর রোড, কুলীনপাড়া মাঠ, আদর্শপল্লি ও পি এন মুখার্জি রোডের পাশ দিয়ে ওই নিকাশি তৈরি হবে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য কেএমডিএর আধিকারিকরা পুরসভার কর্মীদের নিয়ে আগেই পরিদর্শন করে গিয়েছেন। এখন কাজ শুরুর তোড়জোড় চলছে। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সায়ন মজুমদার বলেন, ‘বড় এবং নতুন নিকাশি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রশাসনিক অনুমোদন এসে গিয়েছে। এই কাজ শেষ হলে ছ’টি ওয়ার্ড সহ আশপাশের এলাকায় জল জমার স্থায়ী সমাধান হবে।’ 
সম্পর্কিত সংবাদ