Bartaman Logo
১৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খানা-বোঁয়াইচণ্ডী রেলপথের অনুমোদন, বরাদ্দ ৩৯ কোটি

রাজ্যে পরিবর্তনের পর খানা-বোঁয়াইচণ্ডী রেললাইনের কাজের অনুমোদন মিলেছে। রেল সূত্রে খবর, ২৪কিমির থেকে কিছুটা বেশি এই রেললাইনের কাজের অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে।

খানা-বোঁয়াইচণ্ডী রেলপথের অনুমোদন, বরাদ্দ ৩৯ কোটি
  • ২২ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানকর: রাজ্যে পরিবর্তনের পর খানা-বোঁয়াইচণ্ডী রেললাইনের কাজের অনুমোদন মিলেছে। রেল সূত্রে খবর, ২৪কিমির থেকে কিছুটা বেশি এই রেললাইনের কাজের অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে। এজন্য প্রায় ৩৯কোটি টাকা খরচ হবে। খানা, গলসি, পানাগড় সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ তাড়াতাড়ি এই কাজ সম্পূর্ণ করার দাবি তুলেছেন। এই রেললাইনের কাজ সম্পন্ন হলে পূর্ব বর্ধমানের পাশাপাশি পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, বীরভূম, বাঁকুড়ার মানুষ উপকৃত হবেন।

Advertisement

একসময় ঢাকঢোল পিটিয়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। ২০০৯সালে তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন। ২০১০সালের বাজেটে প্রকল্পের অনুমোদনও মেলে। কাজ শুরুর পর দামোদর নদ সহ বিভিন্ন জায়গায় পিলারও ওঠে। কিন্তু তারপরই কাজ থমকে যায়। তবে এবার ছাড়পত্র মিলেছে। সেইসঙ্গে বোঁয়াইচণ্ডী-আরামবাগ লাইনের কাজও শুরু হবে। ৩১কিমি দীর্ঘ সেই রেলপথ তৈরিতে প্রায় ২৬৮কোটি টাকা খরচ হবে।
গলসির বাসিন্দা মীর নাসিরুদ্দিন বলেন, বহুদিন ধরে শুনে আসছি, খানা থেকে বোঁয়াইচণ্ডী যাওয়া যাবে। আমরা চাই, তা‌ড়াতাড়ি এই কাজ শেষ হোক। এই লাইন হলে খানা থেকে সরাসরি আরামবাগ যাওয়া যাবে। আমাদের এখান থেকে বোঁয়াইচণ্ডী যেতে হলে বর্ধমানে গিয়ে বাস বদলাতে হয়। ট্রেন চালু হলে সেই সমস্যা মিটবে। সময় ও টাকা-দুই-ই কম খরচ হবে।
খানার বাসিন্দা সুস্মিতা দত্ত বলেন, এই লাইন চালু হলে বাঁকুড়া ও হুগলি জেলার সঙ্গে দূরত্ব কমে যাবে। সরাসরি গুসকরা হয়ে বীরভূমের সঙ্গে যোগাযোগও তৈরি হবে। ফলে ব্যবসার সুবিধা হবে। আরামবাগ লাইন চালু হয়ে গেলে তারকেশ্বর, কামারপুকুর, জয়রামবাটি সহ বিভিন্ন তীর্থস্থানে সহজেই যাওয়া যাবে। ওই এলাকা থেকে সহজে বর্ধমান, বোলপুর, রামপুরহাট আসা যাবে। ফলে পর্যটনশিল্পে জোয়ার আসবে।বিজেপি নেতা রমন শর্মা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের ইচ্ছা থাকলেও রাজ্যে তৃণমূল সরকারের জন্য এতদিন প্রকল্প সম্পূর্ণ করা যায়নি। এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার হয়েছে। প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হবে। মানুষ উপকৃত হবেন।  গলসিতে এভাবেই পড়ে রয়েছে ট্রেন চলাচলের জন্য নির্মিত পিলার।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ