নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১৩ বছর পর ফের খবরের শিরোনামে চলে এল কামদুনি। বুধবার কামদুনির নির্যাতিতার পরিবার এবং আন্দোলনের প্রথম দিন থেকে জড়িত মৌসুমী কয়াল ও টুম্পা কয়াল এলেন জনতার দরবারে। দাবি, সঠিক বিচার হোক। যারা ঘৃণ্য অপরাধ করেও জেলের বাইরে রয়েছেন তাদের উপযুক্ত সাজা হোক। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর তাঁরা জানান, আইনি লড়াইয়ে রাজ্য সর্বোতভাবে তাঁদের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস পেয়েছেন। বুধবার সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য অফিসে বসেছিল জনতার দরবার। সেখানে বহু সাহায্যপ্রার্থী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন দাবিদাওয়া ও আবেদন নিয়ে সাক্ষাৎ করেন। তবে এদিন সবার মধ্যে সবথেকে বেশি হাইলাইটে ছিল কামদুনি।
সাক্ষাৎপ্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করার পর বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কামদুনি আন্দোলনের পাশে আমি দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছি। ওঁরা আজ এসেছিলেন। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। রাজ্যের আইনজীবীরা আইনি লড়াইয়ে আদালতে সহযোগিতা করবেন। এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ এর পাশাপাশি জনতার দরবারে এসেছিলেন এক দম্পতি। তাঁদের ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানান। ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাতে এসেছিলেন এদিন। ২০২৪ সালে ঘটনাটি ঘটে। তৎকালীন দমকলমন্ত্রী খুনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে মদত দিয়েছিলেন বলে এই দম্পতির অভিযোগ। তাঁদের পুত্র রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র ছিলেন। বিধাননগর কলেজের এক ছাত্রনেতা ও দু’জন এই খুনে মূল অভিযুক্ত বলে তাঁদের দাবি।