


মুম্বই: এই মাঠ তাঁদের উত্থানের সাক্ষী! কোচ রমাকান্ত আচরেকরের থেকে তালিম, চড়া রোদে ক্রিকেট, স্কুল ছুটির পর সবুজ গালিচায় বসে দুই বন্ধুর আড্ডা! শচীন তেন্ডুলকর এবং বিনোদ কাম্বলির ক্রিকেট জীবনের পীঠস্থান এই শিবাজি পার্ক। সময় গড়িয়েছে বহুকাল। আঁকিবুকি পথে ভিন্ন দিশায় বয়েছে তাঁদের ক্রিকেট কেরিয়ারও। সাফল্যের মাউন্ট এভারেস্ট ছুঁয়েছেন শচীন। আর কাম্বলি ক্রমশ হারিয়ে গিয়েছেন মোহের অন্ধকারে। তবু প্রিয় বন্ধুর জন্মদিনে সেই চেনা মাঠেই ফিরলেন কক্ষচ্যুত বাঁ হাতি ব্যাটার। শরীরে বাঁসা বেঁধেছে নানান রোগব্যাধি। মাত্র ক’দিন আগেই ছাড়া পেয়েছেন হাসপাতাল থেকে। তাই বলে কি আর প্রিয় বন্ধুর জন্মদিন ভোলা যায়! মাস্টার ব্লাস্টারের ৫৩তম জন্মদিনে শিবাজি পার্কে বসে শৈশবের স্মৃতিচারণায় ডুব দিলেন কাম্বলি। উদাস চাউনি যেন খুঁজে বেড়াচ্ছিল শচীনের সঙ্গে স্কুল ক্রিকেটে তাঁর একের পর এক লম্বা পার্টনারশিপ। কিংবা খেলার শেষে পাওভাজি ভাগ করে খাওয়ার মুহূর্তগুলিকে। তারই মধ্যে বন্ধুর উদ্দেশে কাম্বলির বার্তা— ‘পার্টনার, আজ সেলিব্রেশন তো করতেই হবে।’ ভিডিয়োর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, ‘ইয়ে দোস্তি, হাম নেহি তোড়েঙ্গে...’।
বন্ধু কাম্বলি একা নন, ৫৩তম জন্মদিনে শচীনকে শুভেচ্ছোর বন্যায় ভাসিয়েছে পুরো দেশ। মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে দিনের শুরু। মা, স্ত্রী ও পোষ্যের সঙ্গে সেই মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন মহাতারকা। ক্রিকেটের ভগবানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে অনুরাগীরাও তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমিয়েছিলেন। হাসিমুখেই তাঁদের ভালোবাসা গ্রহণ করেন শচীন। ভিড়ের মধ্যে নজর কাড়ে এক ফুটফুটে একরত্তি। তার টি-শার্টে লেখা ছিল, ‘কিউটেস্ট শচীন ফ্যান।’ শচীন-অঞ্জলি সেই ছোট্ট শিশুটিকে কোলে তুলে আদরে ভরিয়ে দেন। পাশাপাশি অনুরাগীদের সঙ্গে কেকও কাটেন কিংবদন্তি।