Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মমতার স্বাক্ষর করা চিঠি কমিশনের সচিবকে পেশ কালীঘাট তৃণমূলের

কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেস ১৪ পাতার চিঠি জমা দিল নির্বাচন কমিশনে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, বিদ্রোহী তৃণমূল বেআইনি। বিস্তারিত পড়ুন।

মমতার স্বাক্ষর করা চিঠি কমিশনের সচিবকে পেশ কালীঘাট তৃণমূলের
  • ৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি ও কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই নিজেদের বক্তব্য জানিয়ে ১৪ পাতার চিঠি জমা দিল কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার নয়, প্রতিটি পাতায় তৃণমূলের চেয়ারপার্সন হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সই করা ওই চিঠি লেখা হয়েছে কমিশনের সচিবকে। কপি করা হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সোমবার দুপুরে অশোক রোডে ‘নির্বাচন সদনে’ গিয়ে দলের পক্ষে ওই চিঠি জমা দেন দলের তিন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষ। 

Advertisement

চিঠিতে তাঁরাই প্রকৃত তৃণমূল বলে শুধু দাবি করাই নয়, কেন তাঁরাই আসল— তার ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ১৯৯৭ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অজিত পাঁজার উদ্যোগ, ১৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে নতুন দল খোলার আবেদন করা হয়। ২৭ ডিসেম্বর স্বীকৃতি মেলে। ৩০ ডিসেম্বর দলের প্রতীক (ঘাসের ওপর জোড়া ফুল) মেলে। বিস্তারিতভাবে ওই তথ্য চিঠিতে তুলে ধরা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোট পরবর্তী পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। লেখা হয়েছে, যেভাবে বিদ্রোহী তৃণমূলিরা দলের মূল দাবিদার হতে চাইছে তা বেআইনি ও অবৈধ। তাই গত ২২ জুন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে আসল তৃণমূল দাবি করে কমিশনে যে চিঠি দিয়েছেন, তা খারিজ করার অনুরোধ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 
কমিশনে চিঠি জমা দিয়ে দুই সহকর্মী সাংসদকে পাশে নিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যারা নিজেদের এখন আসল তৃণমূল বলে দাবি করছেন, তাঁরা জালিয়াতি করছেন। ২০২২ সালে তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছিল। দলীয় সংবিধান মোতাবেক পাঁচ বছরের জন্য কমিটি গঠিত হয়েছিল। আগামী ২০২৭ সালে ফের সাংগঠনিক নির্বাচন হবে। ফলে সাংগঠনিক নির্বাচন হয়নি বা কমিটি নেই বলে ঋতব্রতরা যে দাবি করছেন, তা ভিত্তিহীন। কল্যাণবাবুর প্রশ্ন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কার সই করা ফর্মের ভিত্তিতে ভোট লড়লেন ঋতব্রতরা? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর যদি তিনিই চেয়ারপার্সন নন বলে জালিয়াতরা দাবি করছেন, তাহলে তো তৃণমূলের টিকিটে তাঁদের ভোট জেতাই অবৈধ। তাঁরা কেন ইস্তফা দিচ্ছেন না?
পালটা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচন কমিশন সোমবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে আমাদের কাছে কিছু বিষয় জানতে চেয়েছিল। আমরা ইতিমধ্যেই সেই সংক্রান্ত কাগজপত্র পাঠিয়ে দিয়েছি। তবে বলব, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা বুঝুন, এখন আর তৃণমূল ক্ষমতায় নেই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ