নয়াদিল্লি ও অযোধ্যা (পিটিআই): অযোধ্যার রামমন্দিরে প্রণামি চুরি কাণ্ডে সিটের তদন্তে এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে তা ‘হিমশৈলের চূড়ামাত্র’। শনিবার এই দাবি করল কংগ্রেস। গোটা ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাত শিবিরের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। বিরোধী শিবিরের তোপের মধ্যেই রামমন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র অযোধ্যায় বলেছেন, কলঙ্কজনক ঘটনা। আমরা সবাই শুধু দুঃখিত নয়, চূড়ান্ত অপদস্ত বোধ করছি। নির্মাণ কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে এসে মিশ্র বলেছেন, ভবিষ্যতে এধরনের ঘটনা এড়াতে মন্দিরের পরিচালন ব্যবস্থায় উন্নতি করা হবে বলেই আশা।
প্রণামি চুরির ইস্যুটি সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানিতে উঠতে চলেছে। তার আগে এদিন সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস। দিল্লির কংগ্রেস দপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যসভার সদস্য অভিষেক মনু সিংভি বলেন, জনগণের আস্থা ফেরাতে নিরপেক্ষ বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। ট্রাস্ট তৈরি হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত তাদের সব অ্যাকাউন্ট নিয়ে ফরেনসিক অডিট হওয়া উচিত। সিংভির অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত যা গ্রেপ্তারি হয়েছে, পুরোটাই নীচুতলার কর্মীদের মধ্যে সীমিত। উচ্চপদস্থ কর্তাদের দায়দায়িত্ব নির্ধারিত হচ্ছে না কেন? কে চুরি করল তার থেকে বড়ো কথা কারা চোখ বন্ধ করে নাকের ডগায় অপরাধ সংগঠিত করতে দিল। সেটাই আসল প্রশ্ন। ট্রাস্ট ও এসবিআইয়ের মধ্যে বিভিন্ন মউ ও এসওপি থাকা সত্ত্বেও কারও কোনো দায়দায়িত্ব থাকবে না কেন? প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল্লি কংগ্রেসের সভাপতি দেবেন্দ্র যাদবের তোপ, ধর্মীয় বিশ্বাসে ধাক্কা দেওয়া এরকম একটি ঘটনায় দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব কেন চুপ? সুপ্রিম কোর্টের কোনো বিচারপতির নজরদারিতে তদন্ত হওয়া উচিত।