নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হুগলিতে ছড়িয়েছে পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের জাল। জয়েশ জঙ্গিদের টাকা পাচার ও নতুনদের নিয়োগ চলছে আরামবাগের মায়াপুরে বসে। ভারতে এই সংগঠনের বড় মাথা শেখ সুলতান সালউদ্দিন আয়ুবি ওরফে আয়ুবকে জেরা করে এই তথ্য উঠে আসার পরই বৃহস্পতিবার হুগলিতে আয়ুব ঘনিষ্টের বাড়িতে তল্লাশি চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। উদ্ধার হয়েছে মোবাইল ,ল্যাপটপ, টাকা লেনদেনের নথিসহ বিভিন্ন সামগ্রী। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশের ১৯টি জায়গায় তল্লাশি চলেছে এই সংগঠনের সহযোগীদের বাড়িতে।
Advertisement
চলতি বছরের অক্টোবর মাসে দিল্লিতে গ্রেপ্তার হয় জয়েশ জঙ্গি আয়ুব। তদন্তে জানা যায়, পাক জঙ্গি সংগঠনের এই সদস্য আয়ুব নতুন জঙ্গি নিয়োগ চালাচ্ছিল। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে একাধিক ভুয়ো প্রোফাইল খুলে জয়েশের হয়ে চলছিল প্রচার। সেখানে দেশবিরোধী বিভিন্ন কাজে উৎসাহিত করা হচ্ছিল। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাই্টের সূত্র সংগঠনে নতুন সদস্য নিয়োগ করছিল এই জঙ্গি। অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে এই সমস্ত যুবকদের মগজ ধোলাই চালাত আয়ুবি। জঙ্গি সংগঠনের ‘রিক্রুটার’ হিসেবে আয়ুব এ রাজ্যের আরামবাগে এসেও বেশ কয়েকদিন কাটিয়ে গিয়েছিল। মূলত ‘লজিস্টিক’ ইউনিট গড়ার কাজ করতেই তাকে পাঠিয়েছিল জয়েশ। এনআইএ আধিকারিকরা জানতে পারেন, অসম, পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, বিহার সহ দেশের বিভিন্নপ্রান্তে তার নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রয়েছে। একাধিক শাগরেদ বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করছে। তার হয়ে এই সমস্ত শাগরেদরা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে জঙ্গি নিয়োগ করছে। তারপর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করাচ্ছে আয়ুব। নিয়োগ হওয়া যুবকদের একটা বড় দিল্লিতে গিয়ে আযুবের সঙ্গে দেখা করেছে। তার কাছ থেকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়েছে। পাশাপাশি তার কাছে বিভিন্ন রাজ্য থেকে অর্থ পাঠানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ, অসম সহ বিভিন্ন রাজ্যে জয়েশ জঙ্গিরা আশ্রয় নিচ্ছে। তাদের এখানে থাকার ব্যবস্থা করছে আয়ুবের সহযোগীরাই।
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের সূত্র ধরে তদন্তকারীরা আরামবাগের মায়াপুরের এক ব্যক্তির নাম পান। জানা যায় তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে আয়ুবেব। হুগলিতে এসে নতুন জঙ্গিদের মগজ ধোলাই করে গিয়েছে সে। আরামবাগের ওই বাসিন্দা জয়েশের হয়ে প্রচার চালাচ্ছে। উস্কানিমূলক বক্তৃতা ও দেশবিরোধী কাজকর্ম করছে গোপনে। তার কাছে জয়েশ জঙ্গিরা এসে আশ্রয় নিচ্ছে। তাদের বাড়ি খুঁজে দেওয়ার কাজ করছে এই ব্যক্তি। অনেকের আবার ভুয়ো নথি পর্যন্ত তৈরি করে দিয়েছে আয়ুবের এই শাগরেদ। সে আয়ুব সহ বিভিন্ন জয়েশ জঙ্গিদের টাকা পাঠাচ্ছে। জানা গিয়েছে, এখান থেকে টাকা যেত কাশ্মীরের এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে। সেই টাকা কাশ্মীরের বাসিন্দা তুলে পৌঁছে দিত আয়ুবের কাছে। তার ভিত্তিতে আরামবাগে তল্লাশি বলে খবর।
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের সূত্র ধরে তদন্তকারীরা আরামবাগের মায়াপুরের এক ব্যক্তির নাম পান। জানা যায় তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে আয়ুবেব। হুগলিতে এসে নতুন জঙ্গিদের মগজ ধোলাই করে গিয়েছে সে। আরামবাগের ওই বাসিন্দা জয়েশের হয়ে প্রচার চালাচ্ছে। উস্কানিমূলক বক্তৃতা ও দেশবিরোধী কাজকর্ম করছে গোপনে। তার কাছে জয়েশ জঙ্গিরা এসে আশ্রয় নিচ্ছে। তাদের বাড়ি খুঁজে দেওয়ার কাজ করছে এই ব্যক্তি। অনেকের আবার ভুয়ো নথি পর্যন্ত তৈরি করে দিয়েছে আয়ুবের এই শাগরেদ। সে আয়ুব সহ বিভিন্ন জয়েশ জঙ্গিদের টাকা পাঠাচ্ছে। জানা গিয়েছে, এখান থেকে টাকা যেত কাশ্মীরের এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে। সেই টাকা কাশ্মীরের বাসিন্দা তুলে পৌঁছে দিত আয়ুবের কাছে। তার ভিত্তিতে আরামবাগে তল্লাশি বলে খবর।



