সংবাদদাতা, কল্যাণী: ২০২৩ সালের শেষ দিকে দমকল কেন্দ্র তৈরির জন্য হরিণঘাটায় জমি চিহ্নিত করা হয়েছিল। তারপর এক বছর কেটে গেলেও সেখানে শুরুই করা যায়নি দমকল কেন্দ্র তৈরির কাজ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হরিণঘাটায় দমকল কেন্দ্র তৈরি করা জরুরি। কারণ হরিণঘাটা শহর ও ব্লক এলাকায় আগুন লাগলে প্রায় ২৫ কিমি দূরে কল্যাণী বা কাঁচরাপাড়া থেকে দমকলের গাড়ি আনতে হয়। ততক্ষণে আগুনের গ্রাসে ছারখার হয়ে যায় সাধারণ মানুষের সম্পত্তি, দোকানপাট।
Advertisement
হরিণঘাটায় রয়েছে একাধিক হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ, অফিস। শহর এলাকাটি ঘিঞ্জি। এইসব এলাকায় আগুন লাগলে দূর থেকে দমকল আসতে আসতে বড়সড় ক্ষতি হয়ে যায়। তখন স্থানীয় লোকজনের তৎপরতা আর পুরসভার জলের গাড়ির উপর নির্ভর করতে হয়। একারণে দীর্ঘদিন ধরেই হরিণঘাটায় দমকল কেন্দ্র তৈরির দাবি জানাচ্ছিলেন এলাকাবাসী। যাতে অকুস্থলে দ্রুত পৌঁছতে পারে দমকলের ইঞ্জিন।
যাতে এখানে দমকল কেন্দ্র তৈরি হয়, সেব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছিল হরিণঘাটা পুরসভা। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে বাস টার্মিনাসের পাশেই প্রায় দুই বিঘা জমি চিহ্নিত করা হয়েছিল দমকল কেন্দ্র নির্মাণের জন্য। তার পাশে বড় রিজার্ভার তৈরির কথা ছিল। যেখান থেকে জল ভরার প্ল্যানিং ছিল দমকলের গাড়িতে। ঠিক হয়েছিল, একটি ছোট ও একটি বড় দমকলের গাড়ি রাখা হবে এই কেন্দ্রে। এই পরিকল্পনার কথা শুনে যারপর নাই খুশি হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু বছর ঘুরে গেলেও এই প্রস্তাবিত কেন্দ্রে একটি ইঁটও গাঁথা হয়নি।
এই বিষয়ে হরিণঘাটা পুরসভার চেয়ারম্যান দেবাশিস বসু বলেন, জমি চিহ্নিত হয়ে গিয়েছে। দমকল কেন্দ্র গড়ার জন্য পুরসভার পক্ষ থেকে দমকল দপ্তরকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তারা জমির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছে। আশা করছি, ২০২৫ সালের মধ্যেই ছাড়পত্র পাওয়া যাবে। এরপর টেন্ডার ডেকে নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
যাতে এখানে দমকল কেন্দ্র তৈরি হয়, সেব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছিল হরিণঘাটা পুরসভা। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে বাস টার্মিনাসের পাশেই প্রায় দুই বিঘা জমি চিহ্নিত করা হয়েছিল দমকল কেন্দ্র নির্মাণের জন্য। তার পাশে বড় রিজার্ভার তৈরির কথা ছিল। যেখান থেকে জল ভরার প্ল্যানিং ছিল দমকলের গাড়িতে। ঠিক হয়েছিল, একটি ছোট ও একটি বড় দমকলের গাড়ি রাখা হবে এই কেন্দ্রে। এই পরিকল্পনার কথা শুনে যারপর নাই খুশি হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু বছর ঘুরে গেলেও এই প্রস্তাবিত কেন্দ্রে একটি ইঁটও গাঁথা হয়নি।
এই বিষয়ে হরিণঘাটা পুরসভার চেয়ারম্যান দেবাশিস বসু বলেন, জমি চিহ্নিত হয়ে গিয়েছে। দমকল কেন্দ্র গড়ার জন্য পুরসভার পক্ষ থেকে দমকল দপ্তরকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তারা জমির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছে। আশা করছি, ২০২৫ সালের মধ্যেই ছাড়পত্র পাওয়া যাবে। এরপর টেন্ডার ডেকে নির্মাণের কাজ শুরু হবে।



