সংবাদদাতা, বনগাঁ: দীর্ঘদিন ধরে জলাতঙ্কের প্রতিষেধক নেই বনগাঁ হাসপাতালে। ফলে ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা। বাধ্য হয়ে টাকা খরচ করে বেসরকারি দোকান থেকে ওষুধ কিনছেন কেউ। যাঁদের টাকা খরচের ক্ষমতা নেই, তাঁদের জন্য বাড়ছে আতঙ্ক। হাসপাতাল সূত্রেই জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই এই অবস্থা চলছে। মাঝেমধ্যে প্রতিষেধক আসে বটে তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য।
Advertisement
সম্প্রতি খাটালে কাজ করার সময় বড় আকারের এক মেঠো ইঁদুর গণেশ সর্দার নামে এক কৃষকের হাতে কামড় দিয়েছিল। রক্তক্ষরণ শুরু হওয়ার পর তিনি বনগাঁ হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসকরা দ্রুত প্রতিষেধক নিতে বলেন। কিন্তু গণেশকে হাসপাতালের কর্মীরা জানান, বেশ কিছুদিন ধরে জলাতঙ্কের প্রতিষেধক আসছে না। এর আগেও অনেক রোগী ফিরে গিয়েছেন। গণেশও বাধ্য হয়ে ফিরে যান। তারপর আতঙ্কিত অবস্থাতেই জানান, বেসরকারি জায়গা থেকে হাজার দেড়েক টাকা খরচ করে প্রতিষেধকের ইনজেকশন কেনা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। কোনও প্রতিষেধক তিনি নেবেন না। ফলে তিনি তো আতঙ্কিতই, তাঁকে ঘিরে প্রতিবেশিদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে ভয়।
এখন শীতের শেষ। শহরে পথকুকুরদের ঘোরাঘুরি বেড়েছে। বহু মানুষকে কামড়ও দিচ্ছে কুকুর। সম্প্রতি বনগাঁ পুরসভা এলাকার একটি কুকুর বেশ কয়েকজনকে কামড় দিয়েছে। জখম ব্যক্তিরা বনগাঁ হাসপাতালে প্রতিষেধক নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু কেউই পাননি বলে অভিযোগ জানিয়েছেন। বাধ্য হয়ে কয়েকজন নদিয়া বা অন্যত্র গিয়ে প্রতিষেধক নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
বনগাঁ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল শুধু নয়, মহকুমার গ্রামীণ বা উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কোথাও-ই নেই জলাতঙ্কের প্রতিষেধক। ফলে প্রবল সমস্যায় সাধারণ মানুষ। তবে বনগাঁ হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণচন্দ্র বড়াই বলেন, ‘মাঝে মধ্যে ভ্যাকসিনের অভাব দেখা যাচ্ছে। কখনও কখনও প্রয়োজনের তুলনায় কম আসছে। আশা করছি দু-একদিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে।’
এখন শীতের শেষ। শহরে পথকুকুরদের ঘোরাঘুরি বেড়েছে। বহু মানুষকে কামড়ও দিচ্ছে কুকুর। সম্প্রতি বনগাঁ পুরসভা এলাকার একটি কুকুর বেশ কয়েকজনকে কামড় দিয়েছে। জখম ব্যক্তিরা বনগাঁ হাসপাতালে প্রতিষেধক নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু কেউই পাননি বলে অভিযোগ জানিয়েছেন। বাধ্য হয়ে কয়েকজন নদিয়া বা অন্যত্র গিয়ে প্রতিষেধক নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
বনগাঁ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল শুধু নয়, মহকুমার গ্রামীণ বা উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কোথাও-ই নেই জলাতঙ্কের প্রতিষেধক। ফলে প্রবল সমস্যায় সাধারণ মানুষ। তবে বনগাঁ হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণচন্দ্র বড়াই বলেন, ‘মাঝে মধ্যে ভ্যাকসিনের অভাব দেখা যাচ্ছে। কখনও কখনও প্রয়োজনের তুলনায় কম আসছে। আশা করছি দু-একদিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে।’



