সংবাদদাতা, বনগাঁ: মাধ্যমিকের জাল মার্কশিট জমা দিয়ে চাকরি করতে গিয়ে পুলিসের জালে ধরা পড়লেন বিজেপি নেতার এক আত্মীয়। ধৃতের নাম স্মরজিৎ মণ্ডল। বনগাঁ থানার রামচন্দ্রপুরের বাসিন্দা তিনি। সোমবার রাতে বনগাঁ থানার পুলিস তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্তকে মঙ্গলবার বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
জানা গিয়েছে, স্মরজিৎ মাধ্যমিকের জাল মার্কশিট জমা দিয়ে অনলাইনে গ্রামীণ ডাক সেবক পদে চাকরির জন্য আবেদন করেন। মেধার ভিত্তিতে তিনি চাকরির জন্য মনোনীত হন। এরপর সমস্ত নথি ও মাধ্যমিকের মার্কশিট যাচাই করার সময় ধরা পড়ে যান তিনি। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র মুক্ত বিদ্যালয়ের মার্কশিট জাল করে জমা দিয়েছিলেন স্মরজিৎ। তা দিয়েই চাকরির আবেদন করেন তিনি। মার্কশিট ভেরিফিকেশনের সময় বিষয়টি ডাক বিভাগের নজরে আসে। আধিকারিকরা বুঝতে পারেন, এটা জাল। এরপর ডাকবিভাগের বারাসত ডিভিশনের সুপারিনটেন্ডেন্ট অভিযুক্তের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
রামচন্দ্রপুরের বাসিন্দা স্মরজিৎ গ্রেপ্তার হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। অভিযুক্ত ঘাটবাওর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক বিজেপি নেতার আত্মীয়। তাঁর গ্রেপ্তারি নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতার নিকট আত্মীয় হল ওই যুবক। বিজেপি দলটাই দুর্নীতিতে ভরা। দলের উপর থেকে নীচে পর্যন্ত নেতারা দুর্নীতিগ্রস্ত।’ এবিষয়ে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেন, ‘তৃণমূল আমলে সব কিছুই জাল হচ্ছে। কোনও আত্মীয় কোথায় কী করছে, তার দায় ওই বিজেপি নেতার নয়।’ অভিযুক্ত যুবক একাধিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় একাধিক জালিয়াতির ঘটনায় তিনি যুক্ত, দাবি সূত্রের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
রামচন্দ্রপুরের বাসিন্দা স্মরজিৎ গ্রেপ্তার হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। অভিযুক্ত ঘাটবাওর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক বিজেপি নেতার আত্মীয়। তাঁর গ্রেপ্তারি নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতার নিকট আত্মীয় হল ওই যুবক। বিজেপি দলটাই দুর্নীতিতে ভরা। দলের উপর থেকে নীচে পর্যন্ত নেতারা দুর্নীতিগ্রস্ত।’ এবিষয়ে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেন, ‘তৃণমূল আমলে সব কিছুই জাল হচ্ছে। কোনও আত্মীয় কোথায় কী করছে, তার দায় ওই বিজেপি নেতার নয়।’ অভিযুক্ত যুবক একাধিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় একাধিক জালিয়াতির ঘটনায় তিনি যুক্ত, দাবি সূত্রের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।



