নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: ‘বর্ষে-বর্ষে দলে-দলে আসে বিদ্যামঠতলে, চলে যায় তারা কলরবে, কৈশোরের কিশলয় পর্ণে পরিণত হয় যৌবনের শ্যামল গৌরবে।’ বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রামে নেতাজি আদর্শ হাই স্কুলে উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে ৫৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়। সেইসঙ্গে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৮তম জন্মজয়ন্তী।
Advertisement
ঝাড়গ্রামে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আসার স্মৃতি এখনও উজ্জ্বল। জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত তাঁর নাম। এদিন জাতীয় পতাকার সঙ্গে স্কুলের পতাকাও উত্তোলন করা হয়। নেতাজির আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করা হয়। এদিন সকালে স্কুল থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা ছাড়াও জেলাশাসক সুনীল আগরওয়াল, মহকুমা শাসক শুভ্রজিৎ গুপ্ত পুরসভার চেয়ারম্যান কবিতা ঘোষ ও কাউন্সিলাররা শোভাযাত্রায় পা মেলান। শহরের সুভাষ পার্কে নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধার্ঘ জানানো হয়। পাঁচমাথা মোড়ে স্কুলের ছাত্রীরা নৃত্য পরিবেশন করে।
এদিন স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সফলদের পুরস্কৃত করা হয়। রাজ্যের ২৪তম তিরন্দাজি প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জয়ী স্কুলের আট পড়ুয়া, ন্যাশনাল চিলড্রেন সায়েন্স কংগ্রেস ও আর্টিফিশিয়াল পোটেনশিয়ালে অংশগ্ৰহণকারী দুই পড়ুয়াকেও সম্মানিত করা হয়। স্কুলের অনুষ্ঠান মঞ্চে পড়ুয়ারা নাচ, গান ও আবৃত্তি পরিবেশন করে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক অপর্ণেশ মিশ্র বলেন, এদিন শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে পড়ুয়ারা শ্রদ্ধার সঙ্গে সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তীও পালন করেছে। একইসঙ্গে স্কুলের ৫৮তম প্রতিষ্ঠা দিবসও পালন করা হয়েছে। স্কুলের পড়ুয়ারা শুধু পাঠ্য বইয়ের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখেনি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে আগ্ৰহ দেখাচ্ছে। খেলাধুলাতেও সফলতা অর্জন করেছে। পঠনপাঠনের মানোন্নয়ন ও পড়ুয়াদের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রবীণ শিক্ষক চন্দ্রনাথ সিংহ বলেন, এদিন দেশের জন্য নেতাজির আত্মত্যাগ ও কর্মজীবন পুড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরা হয়। স্বর্গীয় যদুনাথ সিংহের উদ্যোগে ১৯৬৭ সালে এই স্কুলের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকেও আমরা স্মরণ করা হয়।-নিজস্ব চিত্র
এদিন স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সফলদের পুরস্কৃত করা হয়। রাজ্যের ২৪তম তিরন্দাজি প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জয়ী স্কুলের আট পড়ুয়া, ন্যাশনাল চিলড্রেন সায়েন্স কংগ্রেস ও আর্টিফিশিয়াল পোটেনশিয়ালে অংশগ্ৰহণকারী দুই পড়ুয়াকেও সম্মানিত করা হয়। স্কুলের অনুষ্ঠান মঞ্চে পড়ুয়ারা নাচ, গান ও আবৃত্তি পরিবেশন করে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক অপর্ণেশ মিশ্র বলেন, এদিন শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে পড়ুয়ারা শ্রদ্ধার সঙ্গে সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মজয়ন্তীও পালন করেছে। একইসঙ্গে স্কুলের ৫৮তম প্রতিষ্ঠা দিবসও পালন করা হয়েছে। স্কুলের পড়ুয়ারা শুধু পাঠ্য বইয়ের মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখেনি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়ে আগ্ৰহ দেখাচ্ছে। খেলাধুলাতেও সফলতা অর্জন করেছে। পঠনপাঠনের মানোন্নয়ন ও পড়ুয়াদের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রবীণ শিক্ষক চন্দ্রনাথ সিংহ বলেন, এদিন দেশের জন্য নেতাজির আত্মত্যাগ ও কর্মজীবন পুড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরা হয়। স্বর্গীয় যদুনাথ সিংহের উদ্যোগে ১৯৬৭ সালে এই স্কুলের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকেও আমরা স্মরণ করা হয়।-নিজস্ব চিত্র



