নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বড় নয়, আপাতত ছোট ফুলকপিতেই স্বাদ মেটাতে হবে ক্রেতাদের। কারণ ঘূর্ণিঝড় ডানার ঝাপটায় ভাঙড়ে ফুলকপি চাষে ক্ষতি হয়েছে। ফলে এখন নতুন করে আবার চারা বসিয়ে চাষ শুরু করেছেন কৃষকরা। এই সময় যেসব কপি একটু বড় হতো, ঝড়-বৃষ্টিতে সেগুলি ছোট অবস্থায় নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই বড় কপি পেতে আরও এক মাসের বেশি অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান কৃষকরা। কারণ কপি বড় হতে লাগে অন্তত ৬৫ দিন।
Advertisement
সব্জির ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত ভাঙড়। জেলার মধ্যে টম্যাটো, লঙ্কা, ভেন্ডি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সব্জির ফলন বেশি হয় এখানেই। তার মধ্যে অবশ্য ফুলকপির চাহিদা তুঙ্গে থাকে। ভাঙড় থেকে কলকাতার বিভিন্ন ছোট-বড় বাজারে যায় এই কপি। মরশুম শুরু হওয়ার আগে থেকেই অর্ডার আসতে শুরু করেছিল। তাই এবারও বর্ষা মিটতেই এই অঞ্চলের চাষের জমিতে ভরে গিয়েছিল কপির চারায়। গাছগুলিতে ফুল ধরে সদ্য বড় হতে শুরুও করেছিল। কিন্তু তখনই আসে ঘূর্ণিঝড়। সেই ঝড় ও তুমুল বৃষ্টিতে প্রচুর কপি নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
চালতাবেড়িয়া পঞ্চায়েতের পানাপুকুর গ্রামের কৃষক খোকন মোল্লা বলেন, একবার সব গাছ ফেলে দিতে হয়েছে। নতুন করে আবার চারা বসানো হয়েছে। অন্যান্যবার এই সময় মাঝারি আকারের ফুলকপি বাজারে চলে যায়। কিন্তু এবার সেটা হয়নি। বাজারের চাহিদা মতো কপি পাঠানো যাচ্ছে না এখন। রুহুল আমিন গাজি নামে আরেক কৃষকের কথায়, কপি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দামও বেড়ে গিয়েছে। কারণ আমাদের লোকসান ভরপাই করতে কপি একটু বেশি দামে বিক্রি করা ছাড়া উপায় নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, ক্ষেত থেকেই ফুলকপি ২৫ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ সেটাই কিনছেন ৫০ টাকায়। তবে ডিসেম্বরের শেষ কিংবা জানুয়ারি শুরু থেকে বড় সাইজের ফুলকপি আবার পাওয়া যাবে। তাই এখন কপি গাছের লালনপালনের দিকে বাড়তি নজর দিয়েছেন কৃষকরা।-নিজস্ব চিত্র
চালতাবেড়িয়া পঞ্চায়েতের পানাপুকুর গ্রামের কৃষক খোকন মোল্লা বলেন, একবার সব গাছ ফেলে দিতে হয়েছে। নতুন করে আবার চারা বসানো হয়েছে। অন্যান্যবার এই সময় মাঝারি আকারের ফুলকপি বাজারে চলে যায়। কিন্তু এবার সেটা হয়নি। বাজারের চাহিদা মতো কপি পাঠানো যাচ্ছে না এখন। রুহুল আমিন গাজি নামে আরেক কৃষকের কথায়, কপি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দামও বেড়ে গিয়েছে। কারণ আমাদের লোকসান ভরপাই করতে কপি একটু বেশি দামে বিক্রি করা ছাড়া উপায় নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, ক্ষেত থেকেই ফুলকপি ২৫ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ সেটাই কিনছেন ৫০ টাকায়। তবে ডিসেম্বরের শেষ কিংবা জানুয়ারি শুরু থেকে বড় সাইজের ফুলকপি আবার পাওয়া যাবে। তাই এখন কপি গাছের লালনপালনের দিকে বাড়তি নজর দিয়েছেন কৃষকরা।-নিজস্ব চিত্র



