


নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: কলকাতায় এসে হিরের আংটি হারিয়ে ফেলেছিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এনআইটি) জামশেদপুরের ডিরেক্টর ডঃ গৌতম সূত্রধর। কলকাতা ছেড়ে যাওয়ার ১০ দিন পর তিনি খেয়াল করেন, তাঁর সেই আংটি উধাও। ভাবেননি, সেই আংটি আবার ফিরে পাবেন। কিন্তু, গেস্ট হাউসে চিরুনি তল্লাশি করে হারিয়ে যাওয়া সেই হিরের আংটি খুঁজে বের করলেন ‘আইআইটি খড়্গপুর কলকাতা এক্সটেনশনের’ কর্মীরা। শুধু তাই নয়, সেই মহামূল্যবান আংটি ফিরিয়ে দিয়ে সততার দৃষ্টান্তও স্থাপন করলেন তাঁরা। হিরে ফিরে পেয়ে প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন এনআইটির ডিরেক্টর।
সল্টলেকে রয়েছে, ‘আইআইটি খড়্গপুর কলকাতা এক্সটেনশন’। গত মাসে গুরুত্বপূর্ণ কাজে কলকাতায় এসে এখানকারই একটি গেস্ট হাউসে উঠেছিলেন এনআইটি জামশেদপুরের ডিরেক্টর। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর তিনি নিজের প্রতিষ্ঠানে ফিরে যান। দিন দশেক পরে দেখেন, তাঁর আংটি নেই! তারপর তিনি গেস্ট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সঙ্গে সঙ্গে গেস্ট হাউসের প্রভারি ও কর্মীরা উদ্যোগ নিয়ে খোঁজ শুরু করেন। ঘটনা সম্পর্কে আইআইটি খড়্গপুরের ডিরেক্টর প্রফেসর সুমন চক্রবর্তীকেও জানানো হয়। সৌভাগ্যক্রমে, গৌতমবাবুর পর ওই রুমে অন্য কোনও অতিথি আসেননি।
হিরের আংটিটি গেস্ট হাউসের এক কোণে পাওয়া যায়। তারপর ডিরেক্টরকে ছবি পাঠানো হয়। উনি শনাক্ত করার পর জামশেদপুরে পাঠানো হয় সেটি।
অন্যদিকে, কেষ্টপুরের এক বাসিন্দা গড়িয়া থেকে একটি অ্যাপ ক্যাবে উঠেছিলেন। রবিবার রাতে কেষ্টপুরে নামেন। কিন্তু, ক্যাবে একটি ব্যাগ ভুলে যান। তাতে ১৫ লক্ষ টাকার সোনার গয়না ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্যক্তি বাগুইআটি থানার দ্বারস্থ হন। পুলিশ মোবাইল, সিসি ক্যামেরার সূত্র ধরে মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যেই এই ঘটনার কিনারা করে। ক্যাব চালকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই সোনা ভর্তি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। তারপর থানা থেকে ওই ব্যাগ মালিককে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।