নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: শুক্রবার দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে আচমকা সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সতীশ গোলচার অবসর গ্রহণের এখনও ১১ মাস বাকি। তাহলে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল কেন? যখন তাঁর সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ এসেছে, তখন দিল্লির পুলিশ কমিশনার বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে রয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দিল্লির নতুন পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পদে বসিয়েই পরবর্তী পরিকল্পনা দ্রুত রূপায়ণে সচেষ্ট হয়েছিল। শুক্রবার নতুন পুলিশ কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করলেন এবং শনিবার ভোরেই সোনাম ওয়াংচুককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল যন্তর মন্তর থেকে। যে পদ্ধতিতে সেই স্থানান্তকরণ, সেটি নিয়ে প্রশ্ন ও সন্দেহ জোরদার। কারণ সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে নিয়ে যাওয়ার কারণ কী? কেনই বা ডাক্তারদের পিছনে সাদা পোশাকের পুলিশ হাজির হল? এসবের পাশাপাশি সোনাম ওয়াংকচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভরতি করার পরই দিল্লি পুলিশ আন্দোলনরত ককরোচ জনতা পার্টি সদস্যদেরও জানিয়ে দিল যন্তর মন্তর ফাঁকা করে দিতে হবে। অর্থাৎ অনশন আন্দোলন কিংবা ধরনাও আর চলতে দেওয়া যাবে না। জানা যাচ্ছে, আগামীকালও চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হবে। কারণ সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিযান। কিন্তু এই অভিযান করতে দিতে রাজি নয় দিল্লি পুলিশ। কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। সংসদের অধিবেশন যেদিন শুরু হবে, সেদিনই এই অভিযানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হবে। সরকারি সূত্রের খবর, সংসদ অভিযানের অনুমতি কোনোভাবেই দেওয়া হবে না।



